বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘গীতালি’ (১৯১৪) কাব্যগ্রন্থের অন্যতম একটি গভীর দার্শনিক, চিরন্তন ও জীবনরূপান্তরধর্মী সৃষ্টি হলো ‘শেষ না-হি যে’। এই কবিতায় ...
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘গীতালি’ (১৯১৪) কাব্যগ্রন্থের একটি অন্যতম স্নিগ্ধ, আনন্দময় ও প্রকৃতি-চেতনানির্ভর গীতি-কবিতা হলো ‘কোন্ বরতা পাঠালে মোর পরানে’। এই ...
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘গীতালি’ (১৯১৪) কাব্যগ্রন্থের একটি অন্যতম মনস্তাত্ত্বিক, দ্বিধাদ্বন্দ্বপূর্ণ ও মরমী গীতি-কবিতা হলো ‘যেতেযেতে চায় না যেতে’। এই কবিতায় ...
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘গীতালি’ (১৯১৪) কাব্যগ্রন্থের একটি অন্যতম গভীর মরমী, আত্মসমর্পণ ও একান্ত ভক্তিভাবের গীতি-কবিতা হলো ‘মালা হতে খসে পড়া’। ...
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘গীতালি’ (১৯১৪) কাব্যগ্রন্থের একটি অন্যতম গভীর মরমী, প্রলয়-চেতনানির্ভর ও রূপান্তরকামী গীতি-কবিতা হলো ‘যেতে যেতে একলা পথে’। এই ...
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘গীতালি’ (১৯১৪) কাব্যগ্রন্থের একটি অন্যতম ভক্তিময়, আত্মনিবেদন ও পরম অধ্যাবসায়মূলক গীতি-কবিতা হলো ‘না-ই বা ডাক’। এই কবিতায় ...
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘গীতালি’ (১৯১৪) কাব্যগ্রন্থের একটি অন্যতম মরমী, ভাবালু ও আত্মনিবেদনের গীতি-কবিতা হলো ‘এবার আমায় ডাকলে দূরে’। এই কবিতায় ...