বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘চৈতালী’ (১৮৯৬) কাব্যগ্রন্থের অন্যতম একটি স্নিগ্ধ, নস্টালজিয়াচ্ছন্ন ও মনস্তাত্ত্বিক সৃষ্টি হলো ‘স্মৃতি’। এই কবিতায় অতীতের কোনো প্রিয়জনের ...
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘চৈতালী’ (১৮৯৬) কাব্যগ্রন্থের অন্যতম একটি মরমিয়া, প্রকৃতি-সংলগ্ন ও গভীর শোকাতুর সৃষ্টি হলো ‘বিলয়’। এই কবিতায় প্রকৃতির রূপ ...
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘চৈতালী’ কাব্যগ্রন্থের একটি অন্যতম সুন্দর, সূক্ষ্ম রোমান্টিক ও মুহূর্তের মহিমা প্রকাশকারী কবিতা হলো ‘প্রথম চুম্বন’। ১৮৯৬ সালে ...
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘সোনার তরী’ (১৮৯৪) কাব্যগ্রন্থের অন্যতম শ্রেষ্ঠ, গভীর দার্শনিক ও মনস্তাত্ত্বিক সৃষ্টি হলো ‘প্রতীক্ষা’। এই কবিতায় মৃত্যুর অবধারিত ...
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘চৈতালী’ (১৮৯৬) কাব্যগ্রন্থের অন্যতম একটি আবেগঘন, রূপকধর্মী ও বিচ্ছেদান্তক সৃষ্টি হলো ‘শেষ চুম্বন’। এই কবিতায় রাতের শেষ ...
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘চৈতালী’ কাব্যগ্রন্থের একটি অন্যতম গভীর দার্শনিক ও আধ্যাত্মিক ভাবনাসমৃদ্ধ কবিতা হলো ‘যাত্রী’। ১৮৯৬ সালে (আশ্বিন ১৩০৩ বঙ্গাব্দ) ...
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘চৈতালী’ (১৮৯৬) কাব্যগ্রন্থের অন্যতম একটি দার্শনিক, বিনীত ও প্রতীকী সৃষ্টি হলো ‘তৃণ’। এই কবিতায় মানবজীবনের অহংকার, পার্থিব ...
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘সোনার তরী’ (১৮৯৪) কাব্যগ্রন্থের অন্যতম শ্রেষ্ঠ, দার্শনিক ভাবান্দ্র ও দীর্ঘ গীতি-কবিতা হলো ‘সমুদ্রের প্রতি’। পুরীতে সমুদ্র দর্শনের ...
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘চৈতালী’ কাব্যগ্রন্থের একটি অত্যন্ত গভীর দার্শনিক, নিসর্গচেতনা ও কৃত্রিম ঐশ্বর্যের অসারতা তুলে ধরার চতুর্দশপদী (সনেটধর্মী) কবিতা হলো ...
স্বার্থ কবিতাটি [ swartho kobita ] কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর চৈতালী-কাব্যগ্রন্থের অংশ। এটি আশ্বিন, ১৩০৩ (১৮৯৬ খ্রীস্টাব্দ) বঙ্গাব্দে প্রকাশিত হয়। ...