আপনার ভালো লাগতে পারে

রবীন্দ্র রচনাবলী, রবীন্দ্র সঙ্গীত, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটোগল্প, রবীন্দ্রনাথের কবিতা, উপন্যাস, প্রবন্ধ, পত্রসাহিত্য, নাট্যসাহিত্য, চিত্রকলা, রাজনৈতিক মতাদর্শ ও শিক্ষাচিন্তা

ক্যাটাগরি ভগ্নহৃদয় কাব্যগ্রন্থ (১৮৮১)

ভগ্নহৃদয় bhognohridoy [ কাব্যগ্রন্থ ]

ভগ্নহৃদয় bhognohridoy [ কাব্যগ্রন্থ ] -রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

ভগ্নহৃদয় bhognohridoy -রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সূচনা (১৮৭৮ – ১৮৮১) কাব্যগ্রন্থের শিরনামঃ ভগ্নহৃদয় ভগ্নহৃদয় bhognohridoy [ কাব্যগ্রন্থ ] -রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ভগ্নহৃদয় হল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্ত্তৃক রচিত একটি বাংলা গীতি কাব্য। এটি ১৮৮১ সালে প্রকাশিত হয়। এটি ৩৪-টি সর্গে বিভক্ত। লন্ডনে ভ্রমণ কালে তিনি এটি রচনা করতে শুরু করেন। এটি রবীন্দ্রনাথের কাব্য রচনার “সূূূচনা পর্ব”-এর অন্তর্গত। এতে বিহারীলাল […]
ভগ্নহৃদয় চতুস্ত্রিংশ সর্গ bhagno hriday choturtringso sorgo [ কবিতা ]- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

ভগ্নহৃদয় চতুস্ত্রিংশ সর্গ bhagno hriday choturtringso sorgo [ কবিতা ]- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

ভগ্নহৃদয় চতুস্ত্রিংশ সর্গ bhagno hriday choturtringso sorgo [ কবিতা ] – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কাব্যগ্রন্থ : ভগ্নহৃদয় কবিতার শিরোনামঃ ভগ্নহৃদয় চতুস্ত্রিংশ সর্গ ভগ্নহৃদয় চতুস্ত্রিংশ সর্গ bhagno hriday choturtringso sorgo [ কবিতা ]- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শয্যায় শয়ান ললিতা। অনিলের প্রবেশ ললিতার গান বায়ু! বায়ু! কি দেখিতে আসিয়াছে হেথা           কৌতুকে আকুল! আমি    একটি জুঁই ফুল! সারা রাত এ মাথায় প’ড়েছে শিশির–           গণেছি কেবল! প্রভাতে বড়ই শ্রান্ত ক্লান্ত, হে সমীর,           অতি হীনবল! ভাঙ্গা বৃন্তে ভর করি   রয়েছি জীবন ধরি           জীবনে উদাস! ওগো   উষার বাতাস! শ্রান্ত মাথা  পড়ে নুয়ে–  চাহিয়া রয়েছে ভুঁয়ে           মর’-মর’ একটি জুঁই ফুল! কাছেতে এস না স’রে– একখানি পড়িবে ঝ’রে           সুকুমার একটি জুঁই ফুল! ও ফুল গোলাপ নয়   সুষমাসুরভিময়,           নহে চাঁপা, নহে গো বকুল! ও নহে গো মৃণালিনী   তপনের আদরিণী,           ও শুধু একটি জুঁই ফুল! ওরে আসিয়াছ দিতে কি সংবাদ হায়           হে প্রভাতবায়? […]
ভগ্নহৃদয় ত্রয়স্ত্রিংশ সর্গ bhagno hriday troyotringso sorgo [ কবিতা ]

ভগ্নহৃদয় ত্রয়স্ত্রিংশ সর্গ bhagno hriday troyotringso sorgo [ কবিতা ]- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

ভগ্নহৃদয় ত্রয়স্ত্রিংশ সর্গ bhagno hriday troyotringso sorgo [ কবিতা ] – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কাব্যগ্রন্থ : ভগ্নহৃদয় কবিতার শিরোনামঃ ভগ্নহৃদয় ত্রয়স্ত্রিংশ সর্গ ভগ্নহৃদয় ত্রয়স্ত্রিংশ সর্গ bhagno hriday troyotringso sorgo [ কবিতা ]- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পর্ণশয্যায় শয়ান মুরলা। চপলা চপলা।      কি করিয়া এত তুই হলি রে নিষ্ঠুর, ললিতা সে, এত ভাল বাসিতিস যারে, কি করিয়া ফেলি তারে যাবি দূর– দূর– এতদিনকার প্রেম ছিঁড়ি একেবারে! কবি তোরে এত ভাল বাসে যে মুরলে, তারেও কি তুই, সখি, ফেলে যাবি চ’লে? [কবি ও অনিলের প্রবেশ] কবি।        কি করিলি বল্‌ দেখি! কি করেছি তোর? মুরলা রে, মুরলা রে, মুরলা আমার, হা– রে, কি করেছি এত তুই হলি যে কঠোর? প্রাণ মোর, মন মোর,  হৃদয়ের ধন মোর, সমস্ত হৃদয় মোর, জগৎ আমার– একবার বল্‌ বালা, বল্‌ একবার ছাড়িয়ে যাবি নে মোরে  ফেলি এ সংসার-ঘোরে, নিতান্ত এ হৃদয়েরে রাখি অসহায়। আয়, সখি, বুকে থাক্‌,  এই হেথা মাথা রাখ্‌, হৃদয়ের রক্ত ফেটে বাহিরিতে চায়। মুরলা, এ বুক তুই ত্যজিস্‌ নে আর– চিরদিন থাক্‌, সখি, হৃদয়ে আমার! মুরলা।      লও কবি, এই লও, এই মাথা তুলে লও– অবসন্ন এ মাথা যে পারি নে তুলিতে, […]
ভগ্নহৃদয় দ্বাত্রিংশ সর্গ bhagno hriday datringso sorgo [ কবিতা ]- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

ভগ্নহৃদয় দ্বাত্রিংশ সর্গ bhagno hriday datringso sorgo [ কবিতা ]- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

ভগ্নহৃদয়- দ্বাত্রিংশ সর্গ bhagno hriday datringso sorgo [ কবিতা ] – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কাব্যগ্রন্থ : ভগ্নহৃদয় কবিতার শিরোনামঃ ভগ্নহৃদয় দ্বাত্রিংশ সর্গ ভগ্নহৃদয় দ্বাত্রিংশ সর্গ bhagno hriday datringso sorgo [ কবিতা ]- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নলিনী       আজ আমি নিতান্ত একাকী–       কেহ নাই, কেহ নাই হায়! শূন্য বাতায়নে বসি পথপানে চেয়ে থাকি, সকলেই গৃহমুখে চ’লে যায়– চ’লে যায়!       নলিনীর কেহ নাই হায়! পুরাণো প্রণয়ী-সাথে চোখে চোখে দেখা হ’লে সরমে আকুল হ’য়ে তাড়াতাড়ি যায় চ’লে! প্রণয়ের স্মৃতি শুধু অনুতাপ-রূপে জাগে, ভুলিবারে চাহে যেন ভাল যে বাসিত আগে। বিবাহ করেছে তারা, সুখেতে রয়েছে কিবা– ভাই বন্ধু মিলি সবে কাটাইছে নিশি দিবা। সকলেই সুখে আছে যে দিকে ফিরিয়া চাই, আমি শুধু করিতেছি “কেহ নাই–কেহ নাই’। তাদের প্রেয়সী যদি মোরে দেখিবারে পায় হাসিয়া লুকানো হাসি মোর মুখ-পানে চায়– অবাক হইয়া তারা ভাবে মনে মনে, “এই কি নলিনী সেই  মুখে যার হাসি নেই, বিষাদ-আঁধার জাগে জ্যোতিহীন দু-নয়নে! এই কি নাথের মন হরেছিল একেবারে!” কিছুতে সে কথা যেন বিশ্বাস করিতে নারে! হয়ত সে অভিমানে তুলিয়া পুরাণো কথা […]
ভগ্নহৃদয় একত্রিংশ সর্গ bhagno hriday ekotringso sorgo [ কবিতা ]- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

ভগ্নহৃদয় একত্রিংশ সর্গ bhagno hriday ekotringso sorgo [ কবিতা ]- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

ভগ্নহৃদয় একত্রিংশ সর্গ bhagno hriday ekotringso sorgo [ কবিতা ] – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কাব্যগ্রন্থ : ভগ্নহৃদয় কবিতার শিরোনামঃ ভগ্নহৃদয় একত্রিংশ সর্গ ভগ্নহৃদয় একত্রিংশ সর্গ bhagno hriday ekotringso sorgo [ কবিতা ]- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর অনিল ও কবি অনিল।      একবার এস তুমি, চল গো হোথায়– দেখে যাও কি হৃদয় দোলেছ দু-পায়! যখন কোরক সবে, খোলে নাই আঁখি, তখন হৃদয়ে তার বসিয়া একাকী দিনরাত– দিনরাত বিষদন্ত বিঁধি আহা সেই সুকুমার কিশলয়হৃদি বিন্দু বিন্দু রক্ত তার করেছ শোষণ! কথাটি সে বলে নাই–   মুখটি সে তুলে নাই, হৃদয়ঘাতীরে হৃদে দিয়েছে আসন! আজ সে যৌবনে যবে খুলিল নয়ন– দেখিল হৃদয়ে তার নাই রক্তলেশ, যৌবনের পরিমল হয়েছে নিঃশেষ! কথাটি সে বলিল না–  মুখটি সে তুলিল না, দুর্ব্বল মাথাটি আহা পড়িল গো নুয়ে– মাটিতে মিশাবে কবে, চেয়ে আছে ভুয়ে! এস তবে বিষকীট, দেখ’সে আসিয়া– […]
ভগ্নহৃদয় ত্রিংশ সর্গ bhagno hriday tringso sorgo [ কবিতা ]- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

ভগ্নহৃদয় ত্রিংশ সর্গ bhagno hriday tringso sorgo [ কবিতা ]- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

ভগ্নহৃদয় -ত্রিংশ সর্গ bhagno hriday tringso sorgo [ কবিতা ] – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কাব্যগ্রন্থ : ভগ্নহৃদয় কবিতার শিরোনামঃ ভগ্নহৃদয় ত্রিংশ সর্গ ভগ্নহৃদয় ত্রিংশ সর্গ bhagno hriday tringso sorgo [ কবিতা ]- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নলিনী বড় সাধ গেছে মনে ভালবাসিবারে সখি, তোরা বল্‌ দেখি ভালবাসি কারে? বসন্তে নিকুঞ্জবনে   বেষ্টিত সহস্র মনে নলিনী প্রাণের খেলা শুধু খেলিয়াছে, খেলা ছাড়া সত্যকার জীবন কি আছে? সে জীবন দেখিবারে বড় সাধ গেছে! মনেতে মিশায়ে মন    সচেতনে অচেতন জগত হইয়া আসে মৃদুছায়াময়, দুটি মন চেয়ে থাকে, দোঁহে দোঁহা ঢেকে রাখে– সজনি লো, সে বড় সুখের মনে হয়। সে সুখ কি পাই যদি ভালবাসি কারে? বড় সাধ যায়, সখি, ভালবাসিবারে! এত যে হৃদয় আছে,  ভ্রমে নলিনীর কাছে– নলিনীর নহে কি গো একটিও তার? যদি কারো দ্বারে যাই, কাঁদিয়া আশ্রয় চাই, কেহই কি খুলিবে না হৃদয়ের দ্বার? হৃদয়ের দুয়ারের বাহিরে বসিয়া খেলেছি মনের খেলা সকলে মিলিয়া– সিংহাসন নিরমিত’, আমারে বসায়ে দিত, পদতলে ফুল তুলে দিত সবে আনি– গরবে উন্মত্তহিয়া   আপনারে বিসরিয়া […]
ভগ্নহৃদয় ঊনত্রিংশ সর্গ bhagno hriday unotrish sorgo[ কবিতা ]- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

ভগ্নহৃদয় ঊনত্রিংশ সর্গ bhagno hriday unotrish sorgo[ কবিতা ]- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

ভগ্নহৃদয় -ঊনত্রিংশ সর্গ bhagno hriday unotrish sorgo[ কবিতা ] – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কাব্যগ্রন্থ : ভগ্নহৃদয় কবিতার শিরোনামঃ ভগ্নহৃদয় ঊনত্রিংশ সর্গ ভগ্নহৃদয় ঊনত্রিংশ সর্গ bhagno hriday unotrish sorgo[ কবিতা ]- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ললিতা সংসারের পথে পথে মরীচিকা অন্বেষিয়া ভ্রমিয়া হয়েছি ক্লান্ত নিদারুণ কোলাহলে– তাই বলি একবার আমারে ঘুমাতে দাও– শীতল করি এ হৃদি বিরামের স্নিগ্ধ জলে! শ্রান্ত এ জীবনে মোর আসুক নিশীথকাল, বিস্মৃতি-আঁধারে ডুবি ভুলি সব দুখজ্বালা, নিঃস্বপ্ন নিদ্রার কোলে ঘুমাতে গিয়াছে সাধ, মিশাতে মহাসমুদ্রে জীবনের স্রোতোমালা! শরীর অবশ অতি– নয়ন মুদিয়া আসে মৃত্যুর দ্বারের কাছে বসিয়া সন্ধ্যার বেলা, চৌদিকে সংসার-পানে মাঝে মাঝে চেয়ে দেখি– আধ’ স্বপ্নে আধ’ জেগে দেখি গো মায়ার খেলা! কত শত লোক আছে– কেহ কাঁদে, কেহ হাসে, কেহ ঘৃণা করে, কেহ প্রাণপণে ভালবাসে– একটি কথার তরে কেহ বা কাঁদিয়া মরে, একটি চাহনি-তরে চেয়ে আছে কত মাস– একটি হাসির ঘায়ে কেহ বা কাঁদিয়া উঠে, একটি হেরিয়া অশ্রু কারো মুখে ফুটে হাস! কেহ বসে, কেহ ওঠে– কেহ থাকে, কেহ যায়– জীবনের খেলা দেখি মরণের দ্বারে শুয়ে– হাসি নাই, অশ্রু নাই—-সুখ নাই, দুঃখ নাই– হাসি অশ্রু সুখ দুখ দেখিতেছি চেয়ে চেয়ে। শুধু শ্রান্তি, শুধু শ্রান্তি– আর কিছু, কিছু নহে– […]
ভগ্নহৃদয় অষ্টবিংশ সর্গ bhagno hriday ostobingso sorgo [ কবিতা ]- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

ভগ্নহৃদয় অষ্টবিংশ সর্গ bhagno hriday ostobingso sorgo [ কবিতা ]- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

ভগ্নহৃদয়- অষ্টবিংশ সর্গ bhagno hriday ostobingso sorgo কবিতা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কাব্যগ্রন্থ : ভগ্নহৃদয় কবিতার শিরোনামঃ ভগ্নহৃদয় অষ্টবিংশ সর্গ ভগ্নহৃদয় অষ্টবিংশ সর্গ bhagno hriday ostobingso sorgo কবিতা- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নলিনী ভাল ক’রে সাজায়ে দে মোরে। বুঝি রূপ পড়িতেছে ঝ’রে! করিতে করিতে খেলা জীবনের সন্ধ্যাবেলা বুঝি আসে তিল তিল করে! বড় ভয় হয় প্রতিক্ষণ নলিনী হতেছে পুরাতন, একে একে সবে তারে তেয়াগি যেতেছে হা রে– কেন, সখি, হতেছে এমন! ভুলে যে আমার কাছে আসে তখনি ত যাই তার পাশে, দ্বিগুণ আদরে ডাকি, হাসি, গাই, কাছে থাকি, তবুও কেন লো থাকে না সে! ছিল ত আমার রূপরাশ একেবারে পেলে কি বিনাশ? সংসারে কেবলি তবে রূপের কাঙাল সবে? কচি মুখানির সবে দাস? ভালবাসা ব’লে কিছু নাই? স্বার্থপর পুরুষ সবাই? চির-আত্মবিসর্জ্জন করে যে ভকতমন হেন মন কোথা, সখি, পাই? মুখেরই রাজত্ব যদি ভবে এ মুখ সাজায়ে দে লো তবে!
ভগ্নহৃদয় সপ্তবিংশ সর্গ bhagno hriday soptobingso sorgo [ কবিতা ]- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

ভগ্নহৃদয় সপ্তবিংশ সর্গ bhagno hriday soptobingso sorgo [ কবিতা ]- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

ভগ্নহৃদয় -সপ্তবিংশ সর্গ bhagno hriday soptobingso sorgo কবিতা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কাব্যগ্রন্থ : ভগ্নহৃদয় কবিতার শিরোনামঃ ভগ্নহৃদয় সপ্তবিংশ সর্গ ভগ্নহৃদয় সপ্তবিংশ সর্গ bhagno hriday soptobingso sorgo কবিতা- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কবি মুরলা রে– মুরলা, কোথায়? দেশে দেশে ভ্রমিতেছি কোথায়– কোথায়? সম্মুখে বিশাল মাঠ ধুধু করিতেছে, সে মাঠেতে অন্ধকার– বিস্তারিয়া বাহু তার ভূমিতে রাখিয়া মুখ কেঁদে মরিতেছে! কোথা তুই– কোথা মুরলা রে, কোথা তুই গেলি বল–শুধাইব কারে? উদিল সন্ধ্যার তারা ওই রে গগনে! ওই তারা কত দিন দেখেছি দুজনে! তা কি তোর মুরলা রে মনে আর পড়ে না রে? সে সকল কথা তুই ভুলিলি কেমনে? কত দিন– কত কথা– কত সে ঘটনা– মনের ভিতরে কি রে আকুলি ওঠে না? তবে তুই কি পাষাণে বেঁধেছিলি হিয়া? কেমনে কবিরে তোর গেলি তেয়াগিয়া? বিজন আকাশে মোর ছিলি রে সতত স্থিরজ্যোতি ওই সন্ধ্যাতারাটির মত, যদি রে মুহূর্ত্ত-তরে আপনারে ভুলে মেঘখণ্ড রেখে থাকি এ হৃদয়ে তুলে, তাই কি রে অভিমানে অস্ত যেতে হয়? এ জনমে আর কি রে হবি নে উদয়? আজ আমি লক্ষ্যহীন দিক হারাইয়া! অসীম সংসারে কোথা বেড়াই ভাসিয়া! দেখিতে যে পাব নাকো তোরে একেবারে– সে কথা পারি নে কভু মনে করিবারে! […]
ভগ্নহৃদয় ষড়্বিংশ সর্গ bhagno hriday sorobingso sorgo [ কবিতা ]- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

ভগ্নহৃদয় ষড়্বিংশ সর্গ bhagno hriday sorobingso sorgo [ কবিতা ]- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

ভগ্নহৃদয় ষড়্বিংশ সর্গ bhagno hriday sorobingso sorgo কবিতা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কাব্যগ্রন্থ : ভগ্নহৃদয় কবিতার শিরোনামঃ ভগ্নহৃদয় ষড়্‌বিংশ সর্গ   ভগ্নহৃদয় ষড়্বিংশ সর্গ bhagno hriday sorobingso sorgo কবিতা- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নলিনী আজ তার সাথে দেখা হ’ল, মুখ ফিরাইয়া চ’লে গেল! হা অদৃষ্ট, কাল মোরে হেরিয়া যে জন নলিনী নলিনী বলি হ’ত অচেতন, নিমেষ ভুলিত আঁখি, পুরিত না আশ– আমার সৌন্দর্য্যরাশি করিত যে গ্রাস, মোর রাঙ্গা চরণের ধূলি হইবার হৃদয়ের একমাত্র সাধ ছিল যার, ধূলিতে যে পদচিহ্ন করিত চুম্বন, মুখ ফিরাইয়া আজ গেল সেই জন! আঁখি পিপাসা তার    হৃদয়ের আশা তার নলিনীরে দেখে সেও ফিরালে নয়ন! পাশ দিয়ে চ’লে গেল স্পর্দ্ধিতগমন? বিশ্বাসঘাতক যদি কাল পুন আসে নলিনী নলিনী বলি   ফিরে পাশে পাশে, ভালবাসা ভালবাসা করে দিন রাত, তাহার পানে কি আর  ফিরে চাই একবার! করি না কি বজ্রসম কটাক্ষনিপাত! হাসির ছুরিকা দিয়ে বিঁধি তার মন দারুণ ঘৃণার বিষে করি অচেতন! ভিখারী বালক সেই    দিবস রজনী যেই একটি হাসির তরে ছিল মুখ চেয়ে, একটি ইঙ্গিত পেলে আসিত যে ধেয়ে, আজ মোরে — নলিনীরে– হেরি সেই জন চ’লে গেল একেবারে ফিরায়ে নয়ন! […]

জনপ্রিয় খবর

সম্পাদকের পছন্দ

জনপ্রিয়

© ২০২৬ আমার রবীন্দ্রনাথ। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত