আপনার ভালো লাগতে পারে

রবীন্দ্র রচনাবলী, রবীন্দ্র সঙ্গীত, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটোগল্প, রবীন্দ্রনাথের কবিতা, উপন্যাস, প্রবন্ধ, পত্রসাহিত্য, নাট্যসাহিত্য, চিত্রকলা, রাজনৈতিক মতাদর্শ ও শিক্ষাচিন্তা

ক্যাটাগরি ভগ্নহৃদয় কাব্যগ্রন্থ (১৮৮১)

ভগ্নহৃদয় পঞ্চম সর্গ [ কবিতা ]- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

ভগ্নহৃদয় পঞ্চম সর্গ [ কবিতা ]- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

ভগ্নহৃদয় পঞ্চম সর্গ [ কবিতা ]- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কাব্যগ্রন্থ : ভগ্নহৃদয় কবিতার শিরোনামঃ ভগ্নহৃদয় পঞ্চম সর্গ ভগ্নহৃদয় পঞ্চম সর্গ [ কবিতা ]- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কানন  রাত্রি অনিল ললিতা। নলিনী ও সখীগণ। বিজয় সুরেশ বিনোদ প্রমোদ অশোক নীরদ কাননের এক পাশে ললিতার প্রতি অনিলের গান               বউ! কথা কও! সারাদিন বনে বনে   ভ্রমিছি আপন মনে, সন্ধ্যাকালে শ্রান্ত বড়– বউ, কথা কও! শুন লো, বকুল-ডালে   লুকায়ে পল্লবজালে পিক-সহ পিকবধূ মুখে মুখ মিলায়ে দু জনেতে এক প্রাণ   গাহিতেছে এক গান, রাশি রাশি স্বরসুধা বাতাসেরে বিলায়ে। সারাদিন তপনের কিরণেতে তাপিয়া সন্ধ্যাকালে নীড়ে ফিরে আসিয়াছে পাপিয়া। প্রিয়ারে না দেখি তার   ঢালিতেছে স্বরধার অধীর বিলাপ তার লতাপাতা-ভিতরে, গলি সে আকুল ডাকে   বসি অতি দূর-শাখে প্রাণের বিহগী তার “যাই যাই” উতরে। অতি উচ্চ শাখে উঠি   দেখ লো কপোত দুটি মুখে মুখে কানে কানে কত কথা বলিছে, বুকে বুক মিলাইয়া   চঞ্চুপুট বুলাইয়া, কপোতী সে কপোতের আদরেতে গলিছে! এস প্রিয়ে, এস তবে   মধুর– মধুর রবে জুড়াও শ্রবণ মোর– বউ! কথা কও! যদি বড় হয় লাজ   আমার বুকের মাঝ পাখার ভিতরে মুখ লুকাও তোমার! অতি ধীরে মৃদু-মধু   বুকের কাছেতে, বধূ, দু-চারিটি কথা শুধু বল একবার! [কিছুক্ষণ থামিয়া] তবে কি কবে না কথা, পূরাবে না আশা? ভাল ভাল, কোয়ো নাকো,   মুখ ফিরাইয়া থাকো, বুঝিনু আমার পরে নাই ভালবাসা। […]
ভগ্নহৃদয় চতুর্থ সর্গ bhagno hriday chothurtho sorgo [ কবিতা ]- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

ভগ্নহৃদয় চতুর্থ সর্গ bhagno hriday chothurtho sorgo [ কবিতা ]- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

ভগ্নহৃদয় চতুর্থ সর্গ bhagno hriday chothurtho sorgo [ কবিতা ] – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কাব্যগ্রন্থ : ভগ্নহৃদয় কবিতার শিরোনামঃ ভগ্নহৃদয় চতুর্থ সর্গ ভগ্নহৃদয় চতুর্থ সর্গ bhagno hriday chothurtho sorgo [ কবিতা ]- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রথম গান বিপাশার তীরে ভ্রমিবারে যাই, প্রতিদিন প্রাতে দেখিবারে পাই লতা-পাতা-ঘেরা জানালা-মাঝারে        একটি মধুর মুখ। চারি দিকে তার ফুটে আছে ফুল, কেহ বা হেলিয়া পরশিছে চুল, দুয়েকটি শাখা কপাল ছুঁইয়া, দুয়েকটি আছে কপোলে নুইয়া, কেহবা এলায়ে চেতনা হারায়ে        চুমিয়া আছে চিবুক। বসন্ত প্রভাতে লতার মাঝারে        মুখানি মধুর অতি! অধর দুটির শাসন টুটিয়া রাশি রাশি হাসি পড়িছে ফুটিয়া, দুটি আঁখি-‘পরে মেলিছে মিশিছে        তরল চপল জ্যোতি। দ্বিতীয় গান প্রতিদিন যাই সেই পথ দিয়া,       দেখি সেই মুখখানি– কুসুমমাঝারে রয়েছে ফুটিয়া       কুসুমগুলির রাণী! […]
ভগ্নহৃদয় তৃতীয় সর্গ bhagno hriday titio sorgo [ কবিতা ]- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

ভগ্নহৃদয় তৃতীয় সর্গ bhagno hriday titio sorgo [ কবিতা ]- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

ভগ্নহৃদয় তৃতীয় সর্গ bhagno hriday titio sorgo [ কবিতা ]- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কাব্যগ্রন্থ : ভগ্নহৃদয় কবিতার শিরোনামঃ ভগ্নহৃদয় তৃতীয় সর্গ ভগ্নহৃদয় তৃতীয় সর্গ bhagno hriday titio sorgo  [ কবিতা ]- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর অনিল।           ও হাসি কোথায় তুই শিখেছিলি বোন? বিষণ্ন অধর দুটি   অতি ধীরে ধীরে টুটি অতি ধীরে ধীরে ফুটে হাসির কিরণ। অতি ঘন মেঘমালা    ভেদি স্তরে স্তরে, বালা, সায়াহ্ন জলদপ্রান্তে দেয় যথা দেখা ম্লান তপনের মৃদু কিরণের রেখা। কত ভাবনার স্তর    ভেদ করি পর পর ওই হাসিটুকু আসি পঁহুছে অধরে! ও হাসি কি অশ্রুজলে সিক্ত থরে থরে? ও হাসি কি বিষাদের গোধূলির হাস? ও হাসি কি বরষার      সুকুমারী লতিকার ধৌতরেণু ফুলটির অতি মৃদু বাস? মুরলা রে, কেন আহা, এমন তু’ হলি! এত ভালবাসা কারে দিলি জলাঞ্জলি? যে জন রেখেছে মন শূন্যের উপরে, আপনারি ভাব নিয়া     উলটিয়া পালটিয়া দিনরাত যেই জন শূন্যে খেলা করে, শূন্য বাতাসের পটে শত শত ছবি মুছিতেছে আঁকিতেছে–    শতবার দেখিতেছে– সেই এক মোহময় স্বপ্নময় কবি– সদা যে বিহ্বল প্রাণে    চাহিয়া আকাশ-পানে, আঁখি যার অনিমিষ আকাশের প্রায়, […]
ভগ্নহৃদয় দ্বিতীয় সর্গ bhagno hriday ditio sorgo[ কবিতা ]- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

ভগ্নহৃদয় দ্বিতীয় সর্গ bhagno hriday ditio sorgo[ কবিতা ]- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

ভগ্নহৃদয় দ্বিতীয় সর্গ bhagno hriday ditio sorgo[ কবিতা ] – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কাব্যগ্রন্থ : ভগ্নহৃদয় কবিতার শিরনামঃ ভগ্নহৃদয় দ্বিতীয় সর্গ ভগ্নহৃদয় দ্বিতীয় সর্গ bhagno hriday ditio sorgo[ কবিতা ]- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ক্রীড়াকানন। নলিনী ও সখীগণ নলিনী।           সখি! অলকচিকুরে কিশলয়-সাথে       একটি গোলাপ পরায়ে দে। চারু! দেখি ও আরশীখানি; বালা! সিঁথিটি দে ত লো আনি; লীলা! শিথিল কুন্তল দেখ্‌ বার বার কপোলে দুলিয়া পড়িছে আমার,       একটু এপাশে সরায়ে দে। সুরুচি।          মাধবী! বল্‌ ত মোরে একবার       আজিকে হ’ল কি তোর! কতখন ধ’রে গাঁথিছিস্‌ মালা এখনো কি শেষ হ’ল না তা বালা? এক মালা গেঁথে করিবি না কি লো       সারাটি রজনী ভোর? অনিলের হবে ফুলশয্যা আজ, সাঁঝের আগেই শেষ করি সাজ সব সখী মিলি যেতে হবে সেথা       তা কি মনে আছে তোর? অলকা।          মরি মরি কিবা সাজাবার ছিরি,       চেয়ে দেখ্‌ একবার! সখীর অমন ক্ষীণ দেহমাঝে […]
ভগ্নহৃদয় প্রথম সর্গ bhagno hriday prothom sorgo [ কবিতা ]- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

ভগ্নহৃদয় প্রথম সর্গ bhagno hriday prothom sorgo [ কবিতা ]- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

ভগ্নহৃদয় প্রথম সর্গ bhagno hriday prothom sorgo [ কবিতা ] – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কাব্যগ্রন্থ : ভগ্নহৃদয় কবিতার শিরোনামঃ ভগ্নহৃদয় প্রথম সর্গ ভগ্নহৃদয় প্রথম সর্গ bhagno hriday prothom sorgo [ কবিতা ]- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর দৃশ্য– বন। চপলা ও মুরলা চপলা।            সখি, তুই হলি কি আপনা-হারা? এ ভীষণ বনে পশি     একেলা আছিস্‌ বসি খুঁজে খুঁজে হোয়েছি যে সারা! এমন আঁধার ঠাঁই–    জনপ্রাণী কেহ নাই, জটিল-মস্তক বট চারি দিকে ঝুঁকি! দুয়েকটি রবিকর   সাহসে করিয়া ভর অতি সন্তর্পণে যেন মারিতেছে উঁকি। অন্ধকার, চারি দিক হ’তে, মুখপানে এমন তাকায়ে রয়,বুকে বড় লাগে ভয়, কি সাহসে রোয়েছিস্‌ বসিয়া এখানে? মুরলা।           সখি, বড় ভালবাসি এই ঠাঁই! বায়ু বহে হুহু করি,পাতা কাঁপে ঝর ঝরি, স্রোতস্বিনী কুলু কুলু করিছে সদাই! বিছায়ে শুকানো পাতা  বটমূলে রাখি মাথা দিনরাত্রি পারি, সখি, শুনিতে ও ধ্বনি। বুকের ভিতরে গিয়া     কি যে উঠে উথলিয়া বুঝায়ে বলিতে তাহা পারি না সজনি! যা সখি, একটু মোরে রেখে দে একেলা, এ বন আঁধার ঘোরভাল লাগিবে না তোর, […]
কাব্যের পাত্রগণ, ভূমিকা,উপহার [ কবিতা ] - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

কাব্যের পাত্রগণ, ভূমিকা,উপহার [ কবিতা ] – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

কাব্যের পাত্রগণ, ভূমিকা, উপহার কবিতা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কাব্যগ্রন্থ : ভগ্নহৃদয়  কবিতার শিরনামঃ কাব্যের পাত্রগণ, ভূমিকা , উপহার কাব্যের পাত্রগণ, ভূমিকা ,উপহার [ কবিতা ] – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কাব্যের পাত্রগণ কবি; অনিল; মুরলা (অনিলের ভগ্নী ও কবির বাল্যসহচরী); ললিতা (অনিলের প্রণয়িনী); নলিনী (এক চপলস্বভাবা কুমারী; চপলা (মুরলার সখী) লীলা; সুরুচি মাধবী প্রভৃতি (নলিনীর সখীগণ) সুরেশ, বিজয়, বিনোদ প্রভৃতি (নলিনীর বিবাহ বা প্রণয়াকাঙ্ক্ষী) ভূমিকা এই কাব্যটিকে কেহ যেন নাটক মনে না করেন। নাটক ফুলের গাছ। তাহাতে ফুল ফুটে […]
ভগ্নহৃদয় কাব্যগ্রন্থ (১৮৮১) | কবিতা সূচি | পর্যায় : সূচনা (১৮৭৮ – ১৮৮১) | রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

ভগ্নহৃদয় কাব্যগ্রন্থ (১৮৮১) | কবিতা সূচি | পর্যায় : সূচনা (১৮৭৮ – ১৮৮১) | রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

ভগ্নহৃদয় কাব্যগ্রন্থ (১৮৮১), (গীতি-কাব্য) সালে প্রকাশিত হয়। এটি ৩৪-টি সর্গে বিভক্ত। লন্ডনে ভ্রমণ কালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এটি রচনা করতে শুরু করেন।কলিকাতা, বাল্মীকিযন্ত্রে, শ্রীকালীকিঙ্কর চক্রবর্ত্তী দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত। শকাব্দ। ১৮০৩।   ভগ্নহৃদয় ভূমিকা: এই কাব্যটিকে কেহ যেন নাটক মনে না করেন। নাটক ফুলের গাছ। তাহাতে ফুল ফুটে বটে, কিন্তু সেই সঙ্গে মূল, কাণ্ড, শাখা, পত্র, […]

জনপ্রিয় খবর

সম্পাদকের পছন্দ

জনপ্রিয়

© ২০২৬ আমার রবীন্দ্রনাথ। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত