আপনার ভালো লাগতে পারে

রবীন্দ্র রচনাবলী, রবীন্দ্র সঙ্গীত, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটোগল্প, রবীন্দ্রনাথের কবিতা, উপন্যাস, প্রবন্ধ, পত্রসাহিত্য, নাট্যসাহিত্য, চিত্রকলা, রাজনৈতিক মতাদর্শ ও শিক্ষাচিন্তা

ক্যাটাগরি অন্তবর্তী পর্যায় (১৯০১ – ১৯২৯)

গীতালি কাব্যগ্রন্থের ‘না রে, তোদের ফিরতে দেব না রে’ কবিতা — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘গীতালি’ (১৯১৪) কাব্যগ্রন্থের অন্যতম একটি তেজস্বী, গতিশীল ও কর্মপ্রেরণাদায়ক সৃষ্টি হলো ‘না রে, তোদের ফিরতে দেব না রে’। এই কবিতায় আরামের মোহ, নিষ্ক্রিয়তা, ধুলাখেলা ও কোণের ঘরের কুসংস্সংস্কার বা কানাকানি ভেঙে সামনে এগিয়ে যাওয়ার, মিথ্যা বোঝা ফেলে দিয়ে প্রভাত-আলোর উদয়পানে যাত্রার এবং জীবনের অগ্নিপরীক্ষাকে সয়ে নেওয়ার এক উদাত্ত আহ্বান অত্যন্ত সুনিপুণভাবে ফুটিয়ে […]

গীতালি কাব্যগ্রন্থের ‘শেষ না-হি যে’ কবিতা — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘গীতালি’ (১৯১৪) কাব্যগ্রন্থের অন্যতম একটি গভীর দার্শনিক, চিরন্তন ও জীবনরূপান্তরধর্মী সৃষ্টি হলো ‘শেষ না-হি যে’। এই কবিতায় জীবনের কোনো কিছুরই প্রকৃত অবসান বা শেষ নেই—মৃত্যু বা বিনাশ বলে যা প্রতিভাত হয়, তা আসলে এক রূপ থেকে অন্য রূপে রূপান্তর মাত্র—এই শাশ্বত সত্য অত্যন্ত সুনিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। কবিতার মূল তথ্য: বিষয় বিবরণ […]
সংশয়ের আবেগ কবিতা । sangsayer abeg kobita | মানসী কাব্যগ্রন্থ | রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

গীতালি কাব্যগ্রন্থের ‘সেই তো আমি চাই’ কবিতা — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘গীতালি’ (১৯১৪) কাব্যগ্রন্থের অন্যতম একটি আধ্যাত্মিক, ভাবগভীর ও চিরন্তন সাধনাভিত্তিক সৃষ্টি হলো ‘সেই তো আমি চাই’। এই কবিতায় কর্মফলের মোহাচ্ছন্নতা থেকে মুক্ত হয়ে অন্তহীন সাধনা, নিত্যনতুন ব্যাকুলতা, পাওয়ার চেয়ে চাওয়ার আনন্দ এবং অসীম প্রাপ্তি ও দেওয়ার লীলার এক অপূর্ব কাব্যিক রূপ অত্যন্ত সুনিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। কবিতার মূল তথ্য: বিষয় বিবরণ কবিতার […]

গীতালি কাব্যগ্রন্থের ‘কোন্‌ বরতা পাঠালে মোর পরানে’ কবিতা — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘গীতালি’ (১৯১৪) কাব্যগ্রন্থের একটি অন্যতম স্নিগ্ধ, আনন্দময় ও প্রকৃতি-চেতনানির্ভর গীতি-কবিতা হলো ‘কোন্‌ বরতা পাঠালে মোর পরানে’। এই কবিতায় প্রভুর বা প্রকৃতির প্রেরিত অলোকসামান্য বার্তার স্পর্শে সমগ্র নিসর্গ ও মানুষের প্রাণমন কীভাবে এক অনির্বচনীয় পুলকে জেগে ওঠে এবং তরী ভাসিয়ে দেয়, তা অত্যন্ত সুনিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। কবিতার মূল তথ্য: বিষয় বিবরণ কবিতার […]

গীতালি কাব্যগ্রন্থের ‘যেতেযেতে চায় না যেতে’ কবিতা — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘গীতালি’ (১৯১৪) কাব্যগ্রন্থের একটি অন্যতম মনস্তাত্ত্বিক, দ্বিধাদ্বন্দ্বপূর্ণ ও মরমী গীতি-কবিতা হলো ‘যেতেযেতে চায় না যেতে’। এই কবিতায় পার্থিব জীবনের মোহ, ঘরের প্রতি অন্ধ টান এবং মুক্তির পথে যাত্রাকালে মন ও চরণের দ্বিধাগ্রস্ত অবসন্নতার এক অপূর্ব রূপ অত্যন্ত সুনিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। কবিতার মূল তথ্য: বিষয় বিবরণ কবিতার নাম যেতেযেতে চায় না যেতে […]

গীতালি কাব্যগ্রন্থের ‘মালা হতে খসে পড়া’ কবিতা — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘গীতালি’ (১৯১৪) কাব্যগ্রন্থের একটি অন্যতম গভীর মরমী, আত্মসমর্পণ ও একান্ত ভক্তিভাবের গীতি-কবিতা হলো ‘মালা হতে খসে পড়া’। এই কবিতায় সাধক বা ভক্ত তার অহংকার, তুচ্ছ প্রাপ্তি এবং জীবনের সমস্ত মলিনতা ঝেড়ে ফেলে পরম প্রভুর চরণে সম্পূর্ণভাবে বিলীন হয়ে যাওয়ার এবং অন্তরে এক অতলান্ত পূর্ণতা পাওয়ার আকুল প্রার্থনা জানিয়েছেন। কবিতার মূল তথ্য: বিষয় […]

গীতালি কাব্যগ্রন্থের ‘যেতে যেতে একলা পথে’ কবিতা — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘গীতালি’ (১৯১৪) কাব্যগ্রন্থের একটি অন্যতম গভীর মরমী, প্রলয়-চেতনানির্ভর ও রূপান্তরকামী গীতি-কবিতা হলো ‘যেতে যেতে একলা পথে’। এই কবিতায় জীবনের দীর্ঘ একা যাত্রাপথে বাতি নিভে যাওয়ার পর ঝড়ের মতো বিপদের মুখোমুখি হয়ে তাকেই সঙ্গী করে নেওয়ার এবং পুরোনো পথ হারিয়ে এক নতুন ও অজানা গন্তব্যের দিকে এগিয়ে যাওয়ার এক অপূর্ব আধ্যাত্মিক রূপ ফুটিয়ে […]

গীতালি কাব্যগ্রন্থের ‘না বাঁচাবে আমায় যদি’ কবিতা — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘গীতালি’ (১৯১৪) কাব্যগ্রন্থের একটি অন্যতম গভীর মরমী, তীব্র ও দ্বৈত সত্তানির্ভর গীতি-কবিতা হলো ‘না বাঁচাবে আমায় যদি’। এই কবিতায় পরমেশ্বরের বা জীবনের স্রষ্টার নিষ্ঠুর আঘাত এবং ধ্বংসের আয়োজনের মাঝেও এক পরমার্থিক সার্থকতা ও মিলনের আকুতি অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। কবিতার মূল তথ্য: বিষয় বিবরণ কবিতার নাম না বাঁচাবে আমায় যদি কবির […]

গীতালি কাব্যগ্রন্থের ‘না-ই বা ডাক’ কবিতা — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘গীতালি’ (১৯১৪) কাব্যগ্রন্থের একটি অন্যতম ভক্তিময়, আত্মনিবেদন ও পরম অধ্যাবসায়মূলক গীতি-কবিতা হলো ‘না-ই বা ডাক’। এই কবিতায় ঈশ্বরের বা প্রিয়তমের কাছ থেকে কোনো সাড়া বা ডাক না পেয়েও তাঁর দ্বারে পড়ে থাকার, অভিমান ভেঙে তাঁর সান্নিধ্য পাওয়ার এবং একনিষ্ঠ ভক্তির এক অপূর্ব আত্মিক রূপ অত্যন্ত সুনিপুণভাবে ফুটে উঠেছে। কবিতার মূল তথ্য: বিষয় […]

গীতালি কাব্যগ্রন্থের ‘নাই কি রে তীর’ কবিতা — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘গীতালি’ (১৯১৪) কাব্যগ্রন্থের একটি অন্যতম আত্মপ্রত্যয়মূলক, সংকট উত্তরণের ও মরমী গীতি-কবিতা হলো ‘নাই কি রে তীর’। এই কবিতায় জীবনের ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ ও অনিশ্চিত যাত্রাপথে হতাশার মাঝেও কাণ্ডারীর উপস্থিতি, ভোরের আলোর আগমন এবং ভুলের ঘোর কেটে যাওয়ার এক অপূর্ব আশাবাদী রূপ অত্যন্ত সুনিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। কবিতার মূল তথ্য: বিষয় বিবরণ কবিতার নাম নাই […]

জনপ্রিয় খবর

সম্পাদকের পছন্দ

জনপ্রিয়

© ২০২৬ আমার রবীন্দ্রনাথ। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত