আপনার ভালো লাগতে পারে

রবীন্দ্র রচনাবলী, রবীন্দ্র সঙ্গীত, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটোগল্প, রবীন্দ্রনাথের কবিতা, উপন্যাস, প্রবন্ধ, পত্রসাহিত্য, নাট্যসাহিত্য, চিত্রকলা, রাজনৈতিক মতাদর্শ ও শিক্ষাচিন্তা

ট্যাগ আমার রবীন্দ্রনাথ

স্মরণ কাব্যগ্রন্থের ‘হে লক্ষ্মী, তোমার আজি নাই অন্তঃপুর’ কবিতা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শোককাব্য ‘স্মরণ’-এর এক অনন্য আধ্যাত্মিক ও ভাবগম্ভীর কবিতা হলো ‘হে লক্ষ্মী, তোমার আজি নাই অন্তঃপুর’। কবিপত্নী মৃণালিনী দেবীর প্রয়াণোত্তর স্মৃতিচারণে পার্থিব গৃহকোণের গৃহলক্ষ্মীর রূপটি কীভাবে মৃত্যুর পর দেশ-কালের সীমা পেরিয়ে সর্বজনীন সরস্বতীরূপে এবং নিখিল বিশ্বের অনন্ত কল্যাণে ব্যাপ্ত হয়ে গেছে—এ কবিতায় তারই এক মহিমান্বিত রূপ ফুটে উঠেছে। কবিতার মূল তথ্য: বিষয়বিবরণ তথ্য […]

স্মরণ কাব্যগ্রন্থের মিলন সম্পূর্ণ আজি হল তোমা-সনে কবিতা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শোকগাঁথা কাব্যগ্রন্থ ‘স্মরণ’-এর এক অনন্য আধ্যাত্মিক, বিরহোত্তর মিলনচেতনার কবিতা হলো ‘মিলন সম্পূর্ণ আজি হল তোমা-সনে’। পার্থিব জীবনের উপস্থিতিতে যা ছিল সীমাবদ্ধ ও খণ্ডিত, প্রিয়তমা পত্নীর প্রয়াণজনিত গভীর বিচ্ছেদবেদনার মধ্য দিয়ে দেশকালের সমস্ত অন্তরাল ভেঙে সেই সম্পর্ক কীভাবে আত্মিক ও সম্পূর্ণ একাকার মিলনে উত্তীর্ণ হয়েছে—এ কবিতায় তারই এক চিরন্তন রূপ প্রতিভাত হয়েছে। কবিতার […]

গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের ‘কথা ছিল এক-তরীতে’ – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কালজয়ী কাব্যগ্রন্থ গীতাঞ্জলি (১৯১০)-র এটি একটি সুপরিচিত ও পরম আধ্যাত্মিক প্রণয়-সঙ্গীতধর্মী কবিতা (পরবর্তীকালে রবীন্দ্রসঙ্গীত হিসেবেও বহুল গীত)। এতে জীবাত্মা ও পরমাত্মার নিভৃত অভিসারের অনন্ত আকুলতা প্রকাশ পেয়েছে। পার্থিব কোলাহল ও সংসারের কর্মজাল ছিন্ন করে একাকী পরমসত্তার সাথে অসীম সমুদ্রের বুকে নিরুদ্দেশ যাত্রায় ভেসে যাওয়ার যে আদিম প্রতিশ্রুতি, তারই ব্যাকুল স্মরণ এ রচনার মূল […]

কবে আমি বাহির হলেম কবিতা । গীতাঞ্জলি । রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর । Kobe Ami Bahir Holem

“কবে আমি বাহির হলেম” রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গীতাঞ্জলি (১৯১০) কাব্যগ্রন্থের একটি আধ্যাত্মিক কবিতা। কবিতাটিতে কবি তাঁর অন্তর্গত ভক্তিময় যাত্রার সূচনা কবে হয়েছিল তা স্মরণ করতে গিয়ে উপলব্ধি করেন যে এই যাত্রা আজকের নয়, বহুদিনের। এখানে জীবনের স্রোত, ঝরনা, পুষ্প প্রভৃতি প্রতীকের মাধ্যমে কবি মানবজীবনের চিরন্তন ঈশ্বরসন্ধানী প্রবাহকে ব্যক্ত করেছেন। কবিতার মৌলিক তথ্য কবি: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কাব্যগ্রন্থ: […]

যতদিন কাছে ছিলে, বলো, কী উপায়ে কবিতা । স্মরণ । রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর । Joto Din Kachhe Chhile, Balo, Ki Upaye

“যতদিন কাছে ছিলে, বলো, কী উপায়ে” রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষ দিকের কাব্যগ্রন্থ স্মরণ (১৯৬১)–এর একটি আবেগময় ও স্মৃতিমেদুর কবিতা। এতে কবি প্রিয়জনের অন্তর্ধানের পর তাকে নতুনভাবে আবিষ্কারের অভিজ্ঞতা ব্যক্ত করেছেন। কাছাকাছি থাকা অবস্থায় যিনি নীরবে, অন্তরালে নিজের কর্তব্য সম্পাদন করেছেন, তার প্রকৃত রূপ কবির কাছে প্রকাশ পায় বিদায়ের পর। এই কবিতায় গভীর কৃতজ্ঞতা, শ্রদ্ধা এবং শোকের […]

কে বলে সব ফেলে কবিতা । গীতাঞ্জলি । রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর । Ke Bole Sob Fel

“কে বলে সব ফেলে” রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গীতাঞ্জলি (১৯১০) কাব্যগ্রন্থের একটি দার্শনিক কবিতা। কবিতাটিতে কবি মৃত্যুকে ভয় নয়, বরং এক উৎসবমুখর যাত্রা হিসেবে দেখিয়েছেন। তিনি মনে করিয়ে দেন, জীবনে যা অর্জন করেছি তা আমাদের সঙ্গেই থাকবে, এমনকি মৃত্যুর পরও। তাই জীবনকে অর্থপূর্ণভাবে সাজিয়ে, অহেতুক বোঝা ফেলে দিয়ে, হাসিমুখে মৃত্যুর পথে এগোনোর বার্তা দিয়েছেন। কবিতার মৌলিক তথ্য […]

কোথায় আলো কবিতা । গীতাঞ্জলি । রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর । Kothay Alo

কোথায় আলো (Kothay Alo) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের (প্রথম প্রকাশ: ১৯১০) অন্তর্গত একটি গভীর আবেগমণ্ডিত কবিতা। সমগ্র গীতাঞ্জলি প্রেম, ভক্তি, বিষাদ ও আধ্যাত্মিকতার এক অসামান্য মেলবন্ধন। এই কবিতায় কবি বিরহের তীব্র যন্ত্রণা, অন্ধকারের মধ্যে আলোর খোঁজ, এবং প্রেমের দীপ জ্বালানোর আকাঙ্ক্ষাকে শক্তিশালী চিত্রকল্প ও প্রতীকের মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন। এটি কেবল প্রেমিক-প্রেমিকার নয়, ঈশ্বর-ভক্ত সম্পর্কের প্রতীকী […]

ঘরে যবে ছিলে মোরে ডেকেছিলে ঘরে কবিতা । স্মরণ । রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর । Ghore Jobe Chhile More Deke Chhile Ghore

ঘরে যবে ছিলে মোরে ডেকেছিলে ঘরে [Ghore Jobe Chhile More Deke Chhile Ghore] কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মরণ (১৯৬১) কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। এই কাব্যগ্রন্থটি মূলত প্রিয়জনের প্রয়াণে শোক, স্মৃতি, ভালোবাসা ও আশীর্বাদের মর্মস্পর্শী প্রকাশ। কবিতায় ব্যক্ত হয়েছে এক নিবিড় সম্পর্কের আবেগমথিত স্মৃতি—যেখানে প্রয়াত প্রিয়জনের আহ্বান, স্নেহ ও বিদায়ের নিঃশব্দ ব্যথা গভীরভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। এখানে কবি ব্যক্তিগত বেদনাকে […]

কোন আলোতে প্রাণের প্রদীপ কবিতা । গীতাঞ্জলি । রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর । Kon Alote Praner Prodip Kobita

“কোন আলোতে প্রাণের প্রদীপ” রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গীতাঞ্জলি (১৯১০) কাব্যগ্রন্থের একটি গভীর দার্শনিক ও আধ্যাত্মিক কবিতা। এখানে কবি এক রহস্যময়, প্রেমময় এবং ত্যাগী সত্তার প্রতি সম্বোধন করেছেন—যিনি অকূল সংসারে প্রেম, সাধনা ও আত্মত্যাগের আলো নিয়ে এসেছেন। কবিতাটি মানবজীবনের মহৎ আহ্বান, অনন্ত আনন্দের সন্ধান এবং আত্মার অবিনশ্বরতার প্রতীক। কবিতার মৌলিক তথ্য কবি: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কাব্যগ্রন্থ: গীতাঞ্জলি (১৯১০) […]

গান গাওয়ালে আমায় তুমি । গীতাঞ্জলি । রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর । Gan Gaowale Amay Tumi

গান গাওয়ালে আমায় তুমি [Gan Gaowale Amay Tumi] কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গীতাঞ্জলি (১৯১০) কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। এই কবিতায় কবি জীবনের আনন্দ-বেদনার মিশ্র অভিজ্ঞতাকে ঈশ্বরপ্রদত্ত সঙ্গীতের মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন। গানের ছলে কবিকে কখনো সুখের খেলায়, আবার কখনো ব্যথার স্পর্শে পূর্ণ করে তোলেন ঈশ্বর, আর এই চিরন্তন লীলাকে কবি প্রেম ও শ্রদ্ধার সঙ্গে মেনে নিয়েছেন। কবিতার মৌলিক তথ্য […]

জনপ্রিয় খবর

সম্পাদকের পছন্দ

জনপ্রিয়

© ২০২৬ আমার রবীন্দ্রনাথ। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত