আপনার ভালো লাগতে পারে

রবীন্দ্র রচনাবলী, রবীন্দ্র সঙ্গীত, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটোগল্প, রবীন্দ্রনাথের কবিতা, উপন্যাস, প্রবন্ধ, পত্রসাহিত্য, নাট্যসাহিত্য, চিত্রকলা, রাজনৈতিক মতাদর্শ ও শিক্ষাচিন্তা

ট্যাগ আমার রবীন্দ্রনাথ

গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের ‘এসো হে এসো, সজল ঘন’ – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেলজয়ী কাব্যগ্রন্থ গীতাঞ্জলি (১৯১০)-র এটি একটি অনন্য বর্ষা-আবাহন ও আত্মিক তৃষ্ণা নিবারণের সঙ্গীত-কবিতা (পরবর্তীতে ‘গীতবিতান’-এর পূজা পর্যায়ের অন্তর্ভুক্ত)। রুক্ষ, শুষ্ক ও দগ্ধ মানবজীবনে পরমসত্তার আবির্ভাব যেন নববর্ষার সজল মেঘের মতোই প্রাণদায়ী। কবির আকুল প্রার্থনা—প্রকৃতির বুকে যেমন গভীর গর্জনে আকাশ ছেয়ে শ্যামল মেঘ নেমে আসে এবং কদম্ববন ও নদীকে পূর্ণতায় উদ্বেল করে, তেমনি […]

স্মরণ কাব্যগ্রন্থের ‘তুমি মোর জীবনের মাঝে’ কবিতা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত শোককাব্য ‘স্মরণ’-এর এক অনন্য মৃত্যুঞ্জয়ী ও অধ্যাত্ম-প্রণয়চেতনার কবিতা হলো ‘তুমি মোর জীবনের মাঝে’। কবিপত্নী মৃণালিনী দেবীর প্রয়াণজনিত শোককে কবি কেবল পার্থিব ক্ষতি হিসেবে দেখেননি; বরং প্রিয়তমার তিরোধান কীভাবে মৃত্যুর অন্ধকারকে মধুময় করে তুলেছে, মৃত্যুকে মঙ্গলে পরিণত করেছে এবং জন্ম ও মৃত্যুর মাঝের ব্যবধান ঘুচিয়ে একাকার করে দিয়েছে—এ কবিতায় তারই এক চিরন্তন […]

গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের ‘ওই যে তরী দিল খুলে’ – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কালজয়ী কাব্যগ্রন্থ গীতাঞ্জলি (১৯১০)-র এটি একটি গভীর বৈরাগ্য ও অধ্যাত্ম-চেতনার সঙ্গীতধর্মী কবিতা (পরবর্তীকালে রবীন্দ্রসঙ্গীত হিসেবেও গীত)। মানুষের পার্থিব জীবনের মোহ, সম্পদ ও বৈষয়িক আসক্তিকে কবি এখানে “ঘরের বোঝা” হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। অনন্ত পারাপারের তরী যখন ঘাট ছেড়ে ভেসে যায়, তখন মানুষ যদি নিজের অতীত ও সংসারের বোঝা পিঠে নিয়ে কূলে দাঁড়িয়ে দ্বিধা […]

গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের ‘ওগো আমার এই জীবনের শেষ পরিপূর্ণতা’ – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিশ্বখ্যাত কাব্যগ্রন্থ গীতাঞ্জলি (১৯১০)-র এটি একটি গভীর আধ্যাত্মিক ও ভাবসম্মিলনধর্মী সঙ্গীত-কবিতা (পরবর্তীতে ‘গীতবিতান’-এর পূজা পর্যায়ের গান)। সাধারণ মানুষের কাছে মৃত্যু ভীতি ও বিচ্ছেদের এক অন্ধকার রূপ হলেও রবীন্দ্রদর্শনে মৃত্যু মূলত জীবনের পরম সার্থকতা ও চরম পূর্ণতা। সাধক মৃত্যুকে ভয়াবহ কোনো পরিসমাপ্তি হিসেবে দেখেন না; বরং মৃত্যুকে কল্পনা করেছেন বরের বেশে আগত এক চিরন্তন […]

স্মরণ কাব্যগ্রন্থের ‘আপনার মাঝে আমি করি অনুভব’ কবিতা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শোককাব্য ‘স্মরণ’-এর এক অনন্য আত্মিক রূপান্তর, মৃত্যুঞ্জয়ী চেতনা ও নারী-পুরুষের যুগল মিলনের চতুর্দশপদী (সনেটধর্মী) কবিতা হলো ‘আপনার মাঝে আমি করি অনুভব’। কবিপত্নী মৃণালিনী দেবীর প্রয়াণোত্তর শোকের অনল পেরিয়ে প্রিয়তমার আত্মত্যাগ ও গৌরব কীভাবে কবির সত্তায় একীভূত হয়ে তাঁকে ভেতর থেকে আরও পূর্ণতর করে তুলেছে—এ কবিতায় তারই এক অপার্থিব দার্শনিক উচ্চারণ ঘটেছে। কবিতার […]

স্মরণ কাব্যগ্রন্থের মৃত্যুর নেপথ্য হতে আরবার এলে তুমি ফিরে কবিতা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘স্মরণ’ কাব্যগ্রন্থের একটি অন্যতম গভীর আবেগঘন, শোকসন্তপ্ত ও আধ্যাত্মিক প্রেমের কবিতা হলো ‘মৃত্যুর নেপথ্য হতে আরবার এলে তুমি ফিরে’। এই কবিতায় কবি মৃত্যুর ওপার থেকে প্রিয়জনের নিঃশব্দে অন্তরে ফিরে আসার এক পরম শান্ত ও অমর রূপ ফুটিয়ে তুলেছেন, যেখানে লোকালয়ের কোলাহলহীন নিভৃত হৃদয়ে কেবল প্রীতি ও স্মৃতির মিলন ঘটে। কবিতার মূল তথ্য […]

গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের ‘ওগো মৌন, না যদি কও’ – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কালজয়ী কাব্যগ্রন্থ গীতাঞ্জলি (১৯১০)-র এটি একটি গভীর আধ্যাত্মিক ও ভাবগম্ভীর প্রার্থনাগীত (পরবর্তীকালে রবীন্দ্রসঙ্গীত হিসেবেও অত্যন্ত জনপ্রিয়)। যখন পরমাত্মা নীরব থাকেন এবং সাধকের ডাকে সাড়া দেন না, তখন সেই পরম মৌনতাকে অন্তরে ধারণ করে অবিচল ধৈর্য ধরার আকুল বাসনা এ রচনায় ফুটে উঠেছে। রাতের আঁধারে নক্ষত্রেরা যেমন নিমেষহীন চোখে প্রভাতের প্রতীক্ষায় জেগে থাকে, ভক্তের […]

গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের ‘ওরে মাঝি, ওরে আমার’ কবিতা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেলজয়ী কালজয়ী কাব্যগ্রন্থ গীতাঞ্জলি-র একটি অত্যন্ত সুকোমল, মরমি ও পরলোকমুখী সুরের গান/লিরিক কবিতা হলো ‘ওরে মাঝি, ওরে আমার’ (গীতাঞ্জলির ৯২ সংখ্যক গান)। জীবনের সায়াহ্নে দাঁড়িয়ে পারাপারের কাণ্ডারিকে সম্বোধন করে অনন্তকালের ঘাটে তরণী ভেড়ানো এবং মর্ত্যজীবনের বাছাই করা অক্ষত স্মৃতি ও অর্ঘ্য সাজিয়ে পরপারের পরমেশ্বরের উদ্দেশে নিবেদনের এক শান্ত আকুলতা এ রচনায় ফুটে […]

স্মরণ কাব্যগ্রন্থের ‘তোমার সকল কথা বল নাই, পার নি বলিতে’ কবিতা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শোককাব্য ‘স্মরণ’-এর এক গভীর অনুশোচনা, আত্মপীড়ন ও নীরব ভালোবাসার স্বীকৃতির চতুর্দশপদী (সনেটধর্মী) লিরিক কবিতা হলো ‘তোমার সকল কথা বল নাই, পার নি বলিতে’। পার্থিব সংসারে জীবিতাবস্থায় কবিপত্নী মৃণালিনী দেবী যে তীব্র লজ্জা, আত্মসংকোচ ও আত্মত্যাগের কারণে নিজের মনোগত ভাব প্রকাশ করতে পারেননি—মৃত্যুর পর দেহমুক্ত সেই মহীয়সী আত্মাকে হৃদয়ের নিভৃত পদ্মে বসিয়ে তাঁর […]

গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের ‘কত অজানারে জানাইলে তুমি’ কবিতা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কালজয়ী কাব্যগ্রন্থ গীতাঞ্জলি-র একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ অধ্যাত্মভাবাপন্ন ও ভক্তিমূলক লিরিক রচনা হলো ‘কত অজানারে জানাইলে তুমি’ (পরবর্তীকালে রবীন্দ্রসঙ্গীত হিসেবেও বিপুল জনপ্রিয়)। পরমসত্তার সান্নিধ্য কীভাবে মানবাত্মার সমস্ত সংকীর্ণ ভৌগোলিক, সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক ভেদাভেদ ঘুচিয়ে দিয়ে অজানাকে চিরচেনা আত্মীয়তায় এবং পরকে পরম ভ্রাতৃত্বে রূপান্তর করে—এ কবিতায় তারই এক সার্বজনীন মহিমা অভিব্যক্ত হয়েছে। কবিতার মূল […]

জনপ্রিয় খবর

সম্পাদকের পছন্দ

জনপ্রিয়

© ২০২৬ আমার রবীন্দ্রনাথ। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত