ওরে আগুন আমার , পূজা ৬১১ | Ore agun amarরবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এফআরএএস (৭ মে ১৮৬১ – ৭ আগস্ট ১৯৪১; ২৫ বৈশাখ ১২৬৮ – ২২ শ্রাবণ ১৩৪৮ বঙ্গাব্দ) ছিলেন অগ্রণী বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, সংগীতস্রষ্টা, নাট্যকার, চিত্রকর, ছোটগল্পকার, প্রাবন্ধিক, অভিনেতা, কণ্ঠশিল্পী ও দার্শনিক।তাকে বাংলা ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক মনে করা হয়। রবীন্দ্রনাথকে “গুরুদেব”, “কবিগুরু” ও “বিশ্বকবি” অভিধায় ভূষিত করা হয়।

 

ওরে আগুন আমার , পূজা ৬১১ | Ore agun amar

রাগ: বাউল

তাল: দাদরা

রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ১৩১৬

 

ওরে আগুন আমার:

 

            ওরে,    আগুন আমার ভাই,

                আমি  তোমারি জয় গাই।

    তোমার    শিকলভাঙা এমন রাঙা মূর্তি দেখি নাই।

তুমি    দু হাত তুলে আকাশ-পানে    মেতেছ আজ কিসের গানে,

    একি    আনন্দময় নৃত্য অভয় বলিহারি যাই॥

যেদিন  ভবের মেয়াদ ফুরাবে ভাই, আগল যাবে সরে–

সেদিন  হাতের দড়ি পায়ের বেড়ি, দিবি রে ছাই করে।

সেদিন আমার অঙ্গ তোমার অঙ্গে    ওই নাচনে নাচবে রঙ্গে–

            সকল দাহ মিটবে দাহে, ঘুচবে সব বালাই॥

 

 

 

রবীন্দ্রনাথের সকল গান গীতবিতান নামক সংকলন গ্রন্থে সংকলিত হয়েছে। উক্ত গ্রন্থের ১ম ও ২য় খণ্ডে রবীন্দ্রনাথ নিজেই তার গানগুলিকে ‘পূজা’, ‘স্বদেশ’, ‘প্রেম’, ‘প্রকৃতি’, ‘বিচিত্র’ও ‘আনুষ্ঠানিক’ – এই ছয়টি পর্যায়ে বিন্যস্ত করেছিলেন। তার মৃত্যুর পর গীতবিতান গ্রন্থের প্রথম দুই খণ্ডে অসংকলিত গানগুলি নিয়ে ১৯৫০ সালে উক্ত গ্রন্থের ৩য় খণ্ড প্রকাশিত হয়। এই খণ্ডে প্রকাশিত গানগুলি ‘গীতিনাট্য’, ‘নৃত্যনাট্য’, ‘ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী’, ‘নাট্যগীতি’, ‘জাতীয় সংগীত’, ‘পূজা ও প্রার্থনা’, ‘আনুষ্ঠানিক সংগীত, ‘প্রেম ও প্রকৃতি’ ইত্যাদি পর্যায়ে বিন্যস্ত।

মন্তব্য করুন