পুঁটু কবিতাটি [ putu kobita ] কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর চৈতালী কাব্যগ্রন্থের অংশ।
কাব্যগ্রন্থের নামঃ চৈতালী
কবিতার নামঃ পুঁটু
পুঁটু কবিতা । putu Kobita | চৈতালী কাব্যগ্রন্থ | রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
চৈত্রের মধ্যাহ্নবেলা কাটিতে না চাহে।
তৃষাতুরা বসুন্ধরা দিবসের দাহে।
হেনকালে শুনিলাম বাহিরে কোথায়
কে ডাকিল দূর হতে।, “পুঁ-টুরানী, আয়!”
জনশূন্য নদীতটে তপ্ত দ্বিপ্রহরে
কৌতুহল জাগি উঠে স্নেহকণ্ঠস্বরে।
গ্রন্থখানি বন্ধ করি উঠিলাম ধীরে,
দুয়ার করিয়া ফাঁক দেখিনু বাহিরে।
মহিষ বৃহৎকায় কাদামাখা গায়ে
স্নিগ্ধনেত্রে নদীতীরে রয়েছে দাঁড়ায়ে।
যুবক নামিয়া জলে ডাকিছে তাহায়
স্নান করাবার তরে, “পুঁ-টুরানী, আয়!”
হেরি সে যুবারে–হেরি পুঁ-টুরানী তারি
মিশিল কৌতুকে মোর স্নিগ্ধ সুধাবারি।

![ছবি ও গান কাব্যগ্রন্থের মধ্যাহ্নে কবিতা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মধ্যাহ্নে madhyaahne [ কবিতা ] রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর](https://amarrabindranath.com/wp-content/uploads/2022/04/মধ্যাহ্নে-madhyaahne-কবিতা--1024x536.gif)





![সার্থক নৈরাশ্য sarthok noirashyo [ কবিতা ] – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সার্থক নৈরাশ্য sarthok noirashyo [ কবিতা ] - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর](https://amarrabindranath.com/wp-content/uploads/2022/04/সার্থক-নৈরাশ্য-sarthok-noirashyo-কবিতা--1024x536.gif)
