বাহির-পথে বিবাগি হিয়া , প্রেম ৩২১ | Bahir pothe bibagi hiya রবীন্দ্রনাথ নিজেও সুগায়ক ছিলেন। বিভিন্ন সভাসমিতিতে তিনি স্বরচিত গান পরিবেশন করতেন। কয়েকটি গান তিনি গ্রামোফোন ডিস্কেও প্রকাশ করেছিলেন। সঙ্গীত প্রসঙ্গে কয়েকটি প্রবন্ধও তিনি রচনা করেন। এছাড়া স্বরচিত নাটকেও তিনি নিজের গান ব্যবহার করতেন।
বাহির-পথে বিবাগি হিয়া , প্রেম ৩২১ | Bahir pothe bibagi hiya
রাগ: বৃন্দাবনী সারং
তাল: ঝম্পক
রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ২৯ চৈত্র, ১৩৩৪
রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): ১১ এপ্রিল, ১৯২৮
বাহির-পথে বিবাগি হিয়া:
বাহির-পথে বিবাগি হিয়া কিসের খোঁজে গেলি,
আয় রে ফিরে আয়।
পুরানো ঘরে দুয়ার দিয়া ছেঁড়া আসন মেলি
বসিবি নিরালায়।
সারাটা বেলা সাগর-ধারে কুড়ালি যত নুড়ি,
নানারঙের শামুক-ভারে বোঝাই হল ঝুড়ি,
লবণপারাবারের পারে প্রখর তাপে পুড়ি
মরিলি পিপাসায়–
ঢেউয়ের দোল তুলিল রোলঅকূলতল জুড়ি,
কহিল বাণী কী জানি কী ভাষায়॥
বিরাম হল আরামহীন যদি রে তোর ঘরে, না যদি রয় সাথি,
সন্ধ্যা যদি তন্দ্রালীন মৌন অনাদরে, না যদি জ্বালে বাতি,
তবু তো আছে আঁধার কোণে ধ্যানের ধনগুলি,
একেলা বসি আপনমনে মুছিবি তার ধূলি,
গাঁথিবি তারে রতনহারে বুকেতে নিবি তুলি মধুর বেদনায়।
কাননবীথি ফুলের রীতি নাহয় গেছে ভুলি,
তারকা আছে গগন-কিনারায়॥
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক রচিত মোট গানের সংখ্যা ২২৩২।তার গানের কথায় উপনিষদ্, সংস্কৃত সাহিত্য, বৈষ্ণব সাহিত্য ও বাউল দর্শনের প্রভাব সুস্পষ্ট। অন্যদিকে তার গানের সুরে ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতের (হিন্দুস্তানি ও কর্ণাটকি উভয় প্রকার) ধ্রুপদ, খেয়াল, ঠুমরি, টপ্পা, তরানা, ভজন ইত্যাদি ধারার সুর এবং সেই সঙ্গে বাংলার লোকসঙ্গীত, কীর্তন, রামপ্রসাদী, পাশ্চাত্য ধ্রুপদি সঙ্গীত ও পাশ্চাত্য লোকগীতির প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।








![ক্ষণিকা কাব্যগ্রন্থের ‘উদ্বোধন’ কবিতা — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর উদ্বোধন udbodhon [ কবিতা ]- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর](https://amarrabindranath.com/wp-content/uploads/2022/04/উদ্বোধন-udbodhon-কবিতা--1024x536.gif)
![কল্পনা কাব্যগ্রন্থের স্পর্ধা কবিতা | Spordha Kobita স্পর্ধা spordha [ কবিতা ]- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর](https://amarrabindranath.com/wp-content/uploads/2022/04/স্পর্ধা-spordha-কবিতা--1024x536.gif)
