আপনার ভালো লাগতে পারে

রবীন্দ্র রচনাবলী, রবীন্দ্র সঙ্গীত, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটোগল্প, রবীন্দ্রনাথের কবিতা, উপন্যাস, প্রবন্ধ, পত্রসাহিত্য, নাট্যসাহিত্য, চিত্রকলা, রাজনৈতিক মতাদর্শ ও শিক্ষাচিন্তা

ট্যাগ আমার রবীন্দ্রনাথ

খেয়া কাব্যগ্রন্থের ‘অনাবশ্যক’ কবিতা — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘খেয়া’ (১৯০৬) কাব্যগ্রন্থের অন্যতম একটি প্রতীকী, সৌন্দর্যমণ্ডিত ও দার্শনিক সৃষ্টি হলো ‘অনাবশ্যক’। এই কবিতায় কাশের বনে শূন্য নদীর তীরে প্রদীপ হাতে একা চলা এক নারীর নিঃস্বার্থ ও অকারণে আলো বিলিয়ে দেওয়ার রূপ এবং প্রয়োজনের সীমানা ছাড়িয়ে অহেতুক সুন্দরের পূজার এক গভীর আধ্যাত্মিক অর্থ অত্যন্ত সুনিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। কবিতার মূল তথ্য: বিষয় […]
অবারিত কবিতা [ Obarito Kobita ] - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

খেয়া কাব্যগ্রন্থের ‘অবারিত’ কবিতা — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘খেয়া’ (১৯০৬) কাব্যগ্রন্থের অন্যতম একটি সুকোমল, বিশ্বমানবিক ও প্রেমভিত্তিক সৃষ্টি হলো ‘অবারিত’। এই কবিতায় কবির মন বা হৃদয় যেন হাটের মাঝে আনাগোনার পথে একটি উন্মুক্ত ঘাট, যেখানে চেনা-অচেনা অসংখ্য মানুষের নিরন্তর যাতায়াত, কারো আগমন ঘটে প্রাতে ফুলের সাজি নিয়ে, কেউ বা আসে ক্লান্ত দুপুরে মলিন বরন মালা নিয়ে, আর রাতের গভীরে আসে […]
গোধূলিলগ্ন কবিতা [ Godhulilogno Kobita ] -রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

খেয়া কাব্যগ্রন্থের ‘গোধূলিলগ্ন’ কবিতা — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘খেয়া’ (১৯০৬) কাব্যগ্রন্থের অন্যতম একটি রূপকধর্মী, ভক্তিমূলক ও অন্তিম মিলনপ্রত্যাশী সৃষ্টি হলো ‘গোধূলিলগ্ন’। এই কবিতায় দিবাবসানে জীবনের গোধূলিলগ্নে উপনীত হওয়ার ব্যাকুলতা, দিনের বেচাকেনা ও কাজ শেষ করে নিভৃত সন্ধ্যায় বাসকশয্যা সাজানোর প্রস্তুতি এবং পরম প্রীতিরস বা অধরা ঈশ্বরের সঙ্গে মিলনের এক গভীর আধ্যাত্মিক আকুলতা অত্যন্ত সুনিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। কবিতার মূল তথ্য: […]
দেখো চেয়ে গিরির শিরে dekho cheye girir shikhore [ কবিতা ] - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

দেখো চেয়ে গিরির শিরে dekho cheye girir shikhore [ কবিতা ] – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

দেখো চেয়ে গিরির শিরে dekho cheye girir shikhore [ কবি-তা ] – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কাব্যগ্রন্থ : উৎসর্গ [ ১৯১৪] কবি-তার শিরোনামঃ দেখো চেয়ে গিরির শিরে দেখো চেয়ে গিরির শিরে dekho cheye girir shikhore [ কবিতা ] – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর দেখো চেয়ে গিরির শিরে মেঘ করেছে গগন ঘিরে,       আর কোরো না দেরি। ওগো আমার মনোহরণ, ওগো […]

খেয়া কাব্যগ্রন্থের ‘মেঘ’ কবিতা — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘খেয়া’ (১৯০৬) কাব্যগ্রন্থের একটি চমৎকার প্রকৃতি-দর্শন ও রূপকধর্মী কবিতা হলো ‘মেঘ’। এই কবিতায় চিরস্থায়ী গ্রহ-নক্ষত্রের সুশৃঙ্খল অস্তিত্বের সাথে ক্ষণস্থায়ী, স্বতঃস্ফূর্ত ও খেয়ালি মেঘের তুলনামূলক চিত্র এঁকে এক গভীর জীবনবোধ তুলে ধরা হয়েছে। কবিতার মূল তথ্য বিষয় বিবরণ কবিতার নাম মেঘ কবির নাম রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মূল কাব্যগ্রন্থ খেয়া প্রকাশের বছর ১৯০৬ (১৩১৩ বঙ্গাব্দ) […]
নিরুদ্যম কবিতা [ Nirudyom Kobita ] - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

নিরুদ্যম কবিতা [ Nirudyom Kobita ] – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

নিরুদ্যম কবিতা [ Nirudyom Kobita ] -রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কাব্যগ্রন্থ : খেয়া [ ১৯০৬ ] কবিতার শিরনামঃ নিরুদ্যম  নিরুদ্যম কবিতা [ Nirudyom Kobita ] -রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তখন   আকাশতলে ঢেউ তুলেছে                                 পাখিরা গান গেয়ে।                      তখন পথের দুটি ধারে                      ফুল ফুটেছে ভারে ভারে,                      মেঘের কোণে রঙ ধরেছে                                 দেখি নি কেউ চেয়ে।             মোরা   আপন মনে ব্যস্ত […]

খেয়া কাব্যগ্রন্থের ‘কৃপণ’ কবিতা — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘খেয়া’ (১৯০৬) কাব্যগ্রন্থের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও মর্মস্পর্শী রূপকধর্মী কবিতা হলো ‘কৃপণ’। এই কবিতায় মানুষের স্বার্থপরতা, কৃপণতা এবং ঈশ্বরকে নিজের সামান্যতম সম্পদটুকু দেওয়ার ক্ষেত্রে যে কুন্ঠা, তার এক অসামান্য মনস্তাত্ত্বিক ও আধ্যাত্মিক বয়ান ফুটে উঠেছে। ঈশ্বর মানুষকে যা দেন তা বহুগুণ হয়ে ফিরে আসে, কিন্তু মানুষ তা বুঝতে পারে না—এটাই এই কবিতার মূল […]

খেয়া কাব্যগ্রন্থের ‘কুয়ার ধারে’ কবিতা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘খেয়া’ (১৯০৬) কাব্যগ্রন্থের একটি অত্যন্ত স্নিগ্ধ, রোমান্টিক এবং গভীর আধ্যাত্মিক রূপকের কবিতা হলো ‘কুয়ার ধারে’। এই কবিতায় এক নির্জন দুপুরে কুয়োর ধারে তৃষ্ণার্ত পান্থের (পরম প্রেমিক বা ঈশ্বরের রূপক) আগমন এবং তাঁকে সামান্য জলপানের তৃপ্তি দেওয়ার মধ্য দিয়ে মানবাত্মার যে পরম সার্থকতা ও চিরন্তন স্মৃতি তৈরি হয়, তা এক অনবদ্য পল্লী-প্রকৃতির আবহে […]

খেয়া কাব্যগ্রন্থের ‘জাগরণ’ কবিতা — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘খেয়া’ (১৯০৬) কাব্যগ্রন্থের একটি গভীর রোমান্টিক, ভক্তিমূলক ও আধ্যাত্মিক মিলনের অপেক্ষার কবিতা হলো ‘জাগরণ’। এই কবিতায় ঈশ্বর বা পরম প্রেমিকের জন্য সারারাত জেগে অপেক্ষা করার পর, ভোরের বেলা ক্লান্তি বা ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে পড়ার আশঙ্কা এবং জাগতিক কোলাহলের চেয়ে প্রেমিকের পরম স্পর্শে ঘুম ভাঙার ব্যাকুল আকাঙ্ক্ষা অত্যন্ত স্নিগ্ধভাবে ফুটে উঠেছে। কবিতার মূল […]
Logo 512x512 (4)

উৎসর্গ কাব্যগ্রন্থের ‘দুয়ারে তোমার ভিড় করে যারা আছে’ কবিতা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘উৎসর্গ’ (১৯১৪) কাব্যগ্রন্থের একটি অত্যন্ত গভীর, বিনম্র ও আত্মনিবেদনমূলক কবিতা হলো ‘দুয়ারে তোমার ভিড় করে যারা আছে’। এই কবিতায় কবি ঈশ্বরের কাছে জাগতিক কোনো সম্পদ, বিদ্যা বা যশের কাঙাল হয়ে যাননি। তিনি সাধারণ মানুষের সব চাহিদা পূরণের পর, নির্জনে ঈশ্বরের কাছে কেবল এক পবিত্র সাঙ্গীতিক ও আধ্যাত্মিক প্রেরণার প্রার্থনা করেছেন। কবিতার মূল […]

জনপ্রিয় খবর

সম্পাদকের পছন্দ

জনপ্রিয়

© ২০২৬ আমার রবীন্দ্রনাথ। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত