আপনার ভালো লাগতে পারে

রবীন্দ্র রচনাবলী, রবীন্দ্র সঙ্গীত, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটোগল্প, রবীন্দ্রনাথের কবিতা, উপন্যাস, প্রবন্ধ, পত্রসাহিত্য, নাট্যসাহিত্য, চিত্রকলা, রাজনৈতিক মতাদর্শ ও শিক্ষাচিন্তা

ক্যাটাগরি আপডেট

ঠাকুরবাড়ির দুর্গাপুজো - গার্গী মুখার্জী

ঠাকুরবাড়ির দুর্গাপুজো – গার্গী মুখার্জী

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বা বা ঠাকুরবাড়ির দুর্গাপুজো নিয়ে প্রচুর গল্প রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে অনেক লেখালেখিও হয়েছে। সেই সব লেখনীর মধ্য থেকে আমরা কিছু নির্বাচিত লেখা উঠিয়ে দিলাম। ঠাকুরবাড়ির দুর্গাপুজো – গার্গী মুখার্জী ঠাকুরবাড়ির দুর্গাপুজো : সপ্তদশ শতাব্দী শেষ দিকে পঞ্চানন কুশারী তার কাকা শুকদেব কে নিয়ে যশোর থেকে এলেন কলকাতার গঙ্গার তীরবর্তী গোবিন্দপুর গ্রামে। এই পঞ্চানন কুশারী […]
পত্রপুট কাব্যগ্রন্থ (১৯৩৮) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

পত্রপুট কাব্যগ্রন্থ (১৯৩৮) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

পত্রপুট রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্ত্যপর্বের কাব্যসৃষ্টির একটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ। গ্রন্থটির প্রথম সংস্করণ প্রকাশিত হয় ২৫ বৈশাখ ১৩৪৩ (১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দে)। পরবর্তীতে ২৫ কার্তিক ১৩৪৫ (১৯৩৮ খ্রিস্টাব্দে) দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হয়। প্রথম সংস্করণে ১৬টি কবিতা ছিল; দ্বিতীয় সংস্করণে ‘উদ্ভ্রান্ত সেই আদিম যুগে’ এবং ‘যুদ্ধের দামামা উঠল বেজে’—এই দুটি কবিতা নতুন করে সংযোজিত হওয়ায় দ্বিতীয় সংস্করণে কবিতার সংখ্যা দাঁড়ায় […]
প্রকৃতি পর্ব ৭ - কত যে তুমি গান [ Koto Je Tumi Gaan ]

প্রকৃতি পর্ব ৭ – কত যে তুমি গান [ Koto Je Tumi Gaan ]

কত যে তুমি গানটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রকৃতি পর্বের ৭ নম্বর গান। রাগ: তোড়ি-ভৈরবী তাল: দাদরা রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): পৌষ, ১৩২৯ রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): 1923 স্বরলিপিকার: দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর   প্রকৃতি পর্ব ৭ – কত যে তুমি গান [ Koto Je Tumi Gaan ]     কত যে তুমি মনোহর মনই তাহা জানে,           হৃদয় মম থরোথরো কাঁপে তোমার গানে॥ […]
বিশ্ববীণারবে বিশ্বজন মোহিছে - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (প্রকৃতি)

বিশ্ববীণারবে বিশ্বজন মোহিছে – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (প্রকৃতি)

বিশ্ববীণারবে বিশ্বজন মোহিছে – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (প্রকৃতি) রাগ: শঙ্করাভরণ (দক্ষিণী) তাল: ঝাঁপতাল-কাহারবা রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): আশ্বিন, ১৩০২ রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): 1895 রচনাস্থান: শিলাইদহ স্বরলিপিকার: জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর, সরলা দেবী, দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর, ইন্দিরা দেবী বিশ্ববীণারবে বিশ্বজন মোহিছে – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (প্রকৃতি)ঃ   বিশ্ববীণারবে বিশ্বজন মোহিছে। স্থলে জলে নভতলে বনে উপবনে নদীনদে গিরিগুহা-পারাবারে নিত্য জাগে সরস সঙ্গীতমধুরিমা, নিত্য নৃত্যরসভঙ্গিমা।– নব […]

গীতালি কাব্যগ্রন্থের ‘তোমার মোহন রূপে’ কবিতা — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘গীতালি’ (১৯১৪) কাব্যগ্রন্থের একটি অন্যতম মরমী, তীব্র ও দ্বৈত সত্তানির্ভর গীতি-কবিতা হলো ‘তোমার মোহন রূপে’। এই কবিতায় ঈশ্বরের বা পরম সুন্দরের মোহন রূপের আড়ালে লুকিয়ে থাকা প্রলয়ংকরী ও মৃত্যুর রূপটিকে অত্যন্ত গভীরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। সুন্দরের মোহের মাঝেও যে ধ্বংস ও বেদনার তাণ্ডব লুকিয়ে থাকতে পারে, তা এই কবিতার মূল সুর। কবিতার […]
বঞ্চিত কবিতা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বঞ্চিত কবিতা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বঞ্চিত কবিতা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কাব্যগ্রন্থ : শ্যামলী [ ১৯৩৬ ] কবিতার শিরোনামঃ বঞ্চিত বঞ্চিত কবিতা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ফুলিদের বাড়ি থেকে এসেই দেখি       পোস্টকার্ডখানা আয়নার সামনেই,             কখন এসেছে জানি নে তো। মনে হল, সময় নেই একটুও;             গাড়ি ধরতে পারব না বুঝি।                  বাক্স থেকে টাকা বের করতে গিয়ে                        ছড়িয়ে পড়ল সিকি দুয়ানি,                     কিছু […]

বিদায় বরণ কবিতা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর । শ্যামলী [ ১৯৩৬ ]

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষ বয়সের বিখ্যাত ‘শ্যামলী’ কাব্যগ্রন্থের একটি ভীষণ মায়াবী আর অনুভূতিপ্রবণ কবিতা হলো এই ‘বিদায় বরণ’। বৃষ্টির পর থমকে থাকা একটি অলস সকালে মানুষের মনের ভেতর যে এক অদ্ভুত একাকীত্ব, উদাসীনতা আর হালকা চেনা-অচেনা স্মৃতির দোলাচল তৈরি হয়—কবিগুরু এই কবিতায় ঠিক সেই মনস্তাত্ত্বিক রূপটিই ফুটিয়ে তুলেছেন। সারা রাত বৃষ্টির পর ভেজা ভারী বাতাসে সকালটা […]
যক্ষ কবিতা [ jhokkho Kobita ] - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

সানাই কাব্যগ্রন্থের ‘যক্ষ’ কবিতা — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘সানাই’ (১৯৪০) কাব্যগ্রন্থের অন্যতম একটি গভীর পৌরাণিক রূপকধর্মী, দার্শনিক ও মনস্তাত্ত্বিক সৃষ্টি হলো ‘যক্ষ’। এই কবিতায় কালিদাসের ‘মেঘদূত’ কাব্যের যক্ষের বিরহকে অবলম্বন করে মর্ত্যলোকের বেদনা, সৃষ্টির আগুন-জ্বালা, পূর্ণতার আকাঙ্ক্ষা এবং স্থবির স্বর্গপুরীর কারাগার বনাম পরিবর্তনশীল প্রাণের প্রবাহের এক অপূর্ব কাব্যিক রূপ অত্যন্ত সুনিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। কবিতার মূল তথ্য: বিষয় বিবরণ কবিতার […]

খেয়া কাব্যগ্রন্থের ‘বাঁশি’ কবিতা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘খেয়া’ (১৯০৬) কাব্যগ্রন্থের একটি অত্যন্ত স্নিগ্ধ, রূপকধর্মী এবং গভীর আধ্যাত্মিক প্রেমের কবিতা হলো ‘বাঁশি’। এই কবিতায় ঈশ্বর বা পরম সত্তার সৃষ্টি ও সুরের প্রতি মানবাত্মার গভীর আকর্ষণ, ভক্তি এবং দিনশেষে পুনরায় ঈশ্বরের কাছে সেই সুর বা সৃষ্টির ভার সমর্পণ করার এক অপূর্ব দর্শন মূর্ত হয়ে উঠেছে। কবিতার মূল তথ্য বিষয় বিবরণ কবিতার […]

উৎসর্গ কাব্যগ্রন্থের ‘আজি হেরিতেছি আমি’ কবিতা — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘উৎসর্গ’ কাব্যগ্রন্থের একটি অন্যতম গভীর দার্শনিক, পৌরাণিক অনুষঙ্গনির্ভর ও নিসর্গভাবনাযুক্ত সৃষ্টি হলো ‘আজি হেরিতেছি আমি’। এই কবিতায় হিমালয় পর্বতমালাকে একজন অচল ও ধ্যানমগ্ন পাঠকের সাথে তুলনা করা হয়েছে, যিনি সনাতন পুঁথি খুলে পৃথিবীর ইতিহাস ও মহাদেব শিব ও পার্বতীর প্রেমের রহস্য পাঠ করে চলেছেন। কবিতার মূল তথ্য বিষয় বিবরণ কবিতার নাম আজি […]

জনপ্রিয় খবর

সম্পাদকের পছন্দ

জনপ্রিয়

© ২০২৬ আমার রবীন্দ্রনাথ। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত