“হাসিরাশি” কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শিশু (১৯০৩) কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। এটি এক প্রফুল্ল ও স্নিগ্ধ শিশুচরিত্রের প্রতিচ্ছবি, যেখানে একরত্তি কন্যাশিশুর হাসি, খেলাভাব ...
ভূমিকা (Bhumika) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শিশু (১৯০৩) কাব্যগ্রন্থের অন্যতম কবিতা। এখানে শিশুমনের খেলাধুলা, কল্পনা ও নির্ভার জগতকে সাগর তীরের এক চিত্রকল্পে ...
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবনের অন্তিম পর্বের এক অতলস্পর্শী শূন্যতাবোধ, নিঃসঙ্গতা ও শোকস্তব্ধ অনুভূতির অনন্য লিরিক কবিতা হলো ‘রৌদ্রতাপ ঝাঁঝাঁ করে’। ...
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবনের অন্তিম পর্যায়ের একটি পরম স্নিগ্ধ, প্রাণোদ্দীপক ও ভোরের জাগরণ-চেতনার লিরিক কবিতা হলো ‘ওরে পাখি’। রোগশয্যায় শায়িত ...
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্তিম জীবনের কাব্যগ্রন্থ ‘শেষলেখা’র একটি অন্যতম গভীর দার্শনিক ও মৃত্যুচেতনাভিত্তিক কবিতা হলো ‘রাহুর মতন মৃত্যু’। ১৯৪১ সালে ...
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মহাপ্রয়াণচেতনার এক পরম শান্ত, সমাহিত ও অমর প্রার্থনা-কবিতা হলো ‘সমুখে শান্তিপারাবার’। জীবনের ওপারে অপেক্ষমাণ অনন্ত শান্তির সমুদ্রে ...
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘মহুয়া’ কাব্যগ্রন্থের একটি অত্যন্ত গভীর, দার্শনিক ও মহাজাগতিক প্রণয়-ভাবনার লিরিক কবিতা হলো ‘সৃষ্টি-রহস্য’। অসীম কাল, মহাশূন্যের নিদ্রাহীন ...
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘মহুয়া’ কাব্যগ্রন্থের একটি অত্যন্ত গভীর, ভাবগম্ভীর ও পরিণত প্রেমের কবিতা হলো ‘বিরহ’। বিচ্ছেদের অন্তিম মুহূর্তের স্তব্ধতা, বিদায়ের ...