আপনার ভালো লাগতে পারে

রবীন্দ্র রচনাবলী, রবীন্দ্র সঙ্গীত, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটোগল্প, রবীন্দ্রনাথের কবিতা, উপন্যাস, প্রবন্ধ, পত্রসাহিত্য, নাট্যসাহিত্য, চিত্রকলা, রাজনৈতিক মতাদর্শ ও শিক্ষাচিন্তা

ক্যাটাগরি অন্তবর্তী পর্যায় (১৯০১ – ১৯২৯)

স্মরণ কাব্যগ্রন্থের ‘ভালো তুমি বেসেছিলে এই শ্যাম ধরা’ কবিতা — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘স্মরণ’ কাব্যগ্রন্থের একটি অন্যতম মরমী ও গভীর শোকলগ্নের প্রেমের কবিতা হলো ‘ভালো তুমি বেসেছিলে এই শ্যাম ধরা’। এই কবিতায় প্রিয়জনের প্রয়াণের পর তাঁর প্রকৃতিপ্রীতি, স্মৃতি এবং বেঁচে থাকা মানুষটির মনের ভেতর তাঁর অস্তিত্বের এক পরম ও আধ্যাত্মিক রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। কবিতার মূল তথ্য বিষয় বিবরণ কবিতার নাম ভালো তুমি বেসেছিলে এই […]

স্মরণ কাব্যগ্রন্থের ‘আজিকে তুমি ঘুমাও, আমি জাগিয়া রব দুয়ারে’ কবিতা — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘স্মরণ’ কাব্যগ্রন্থের একটি অন্যতম গভীর শোকাবহ, অন্তিম নিবেদন ও প্রেমের লিরিক কবিতা হলো ‘আজিকে তুমি ঘুমাও, আমি জাগিয়া রব দুয়ারে’। এই কবিতায় প্রিয়জনের চিরবিদায় বা অন্তিম ঘুমের পর তার প্রতি অনন্ত জাগরণ, সেবা এবং স্মৃতির অমরত্ব রক্ষা করার এক পরাধীন ও করুণ রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। কবিতার মূল তথ্য বিষয় বিবরণ কবিতার […]

স্মরণ কাব্যগ্রন্থের ‘জাগো রে জাগো রে চিত্ত’ কবিতা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত শোককাব্য ‘স্মরণ’-এর একটি ব্যতিক্রমী, গতিময়, সমুদ্র-অনুষঙ্গী ও অনন্ত যাত্রার লিরিক কবিতা হলো ‘জাগো রে জাগো রে চিত্ত’ (স্মরণ কাব্যের ২৭ সংখ্যক কবিতা)। কবিপত্নী মৃণালিনী দেবীর প্রয়াণে তৈরি হওয়া তীব্র ব্যক্তিগত শোক ও অশ্রুরাশিকে কবি নিষ্ক্রিয় আহাজারিতে আবদ্ধ রাখেননি; বরং সেই অশ্রুর মহাসমুদ্রে জোয়ার এনে তিনি চিত্তকে অন্ধ ধরণীর মোহবন্ধন ছিঁড়ে অজানার […]

স্মরণ কাব্যগ্রন্থের ‘গোধূলি নিঃশব্দে আসি আপন’ কবিতা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শোককাব্য ‘স্মরণ’-এর একটি পরম শান্তিময়, সর্বগ্রাসী শোককে মহিমান্বিত করার ও আত্মিক উত্তরণের চতুর্দশপদী (সনেটধর্মী) কবিতা হলো ‘গোধূলি নিঃশব্দে আসি আপন’। গোধূলির অন্ধকার যেমন প্রকৃতির সমস্ত মলিনতা ও ক্ষতকে পরম মমতায় ঢেকে দেয়, তেমনি কবিপত্নী মৃণালিনী দেবীর প্রয়াণজনিত স্তব্ধ শোক কবির জীবনের সমস্ত ব্যর্থতা, স্খলন ও অতৃপ্তিকে এক স্বর্ণময় বিষাদের আশ্রয়ে সমাহিত করে […]

স্মরণ কাব্যগ্রন্থের ‘জ্বালো ওগো, জ্বালো ওগো, সন্ধ্যাদীপ জ্বালো’ কবিতা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত শোককাব্য ‘স্মরণ’-এর একটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর, আত্মোপলব্ধিমূলক ও দাম্পত্যপ্রেমের চরম সার্থকতার চতুর্দশপদী (সনেটধর্মী) কবিতা হলো ‘জ্বালো ওগো, জ্বালো ওগো, সন্ধ্যাদীপ জ্বালো’। কবিপত্নী মৃণালিনী দেবীর প্রয়াণের পর কবি তীব্রভাবে অনুভব করেছেন যে, বাইরের জগতের খ্যাতি, কর্মব্যস্ততা ও সামাজিক সাফল্যের বিপুল সমারোহ দিনশেষে কতটা শুষ্ক ও অর্থহীন হয়ে পড়ে, যদি দিনের শেষে ঘরে ফিরে […]

গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের ‘একা আমি ফিরব না আর’ কবিতা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেলজয়ী কালজয়ী কাব্যগ্রন্থ গীতাঞ্জলি-র একটি অনন্য আত্মোন্মোচন, অহং-মুক্তি ও বিশ্বাত্মবোধের আধ্যাত্মিক লিরিক কবিতা হলো ‘একা আমি ফিরব না আর’ (গীতাঞ্জলির ৭৩ সংখ্যক পদ, যা পরবর্তীতে ‘গীতবিতান’-এর পূজা পর্যায়ের অন্তর্ভুক্ত হয়)। সংকীর্ণ ব্যক্তিহৃদয়ের কোণে পরমেশ্বরকে একলা বাঁধার ব্যর্থ মোহ কাটিয়ে সমগ্র বিশ্বের মাঝে তাঁকে প্রত্যক্ষ করার এবং নিজের চিত্তকে বিশ্বকমলের প্রস্ফুটিত বৃন্ত হিসেবে […]

যে ভাবে রমণীরূপে আপন মাধুরী কবিতা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘স্মরণ’ কাব্যগ্রন্থের একটি অন্যতম গভীর দার্শনিক, আধ্যাত্মিক ও প্রকৃতি-সংলগ্ন লিরিক কবিতা হলো ‘যে ভাবে রমণীরূপে আপন মাধুরী’। এই কবিতায় কবি বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের পরম সুন্দরের লীলা এবং সৃষ্টির দ্বৈত সত্তার মাঝে নারীর রূপ ও মাধুর্যের এক অপূর্ব ঐকতান খুঁজে পেয়েছেন, যেখানে পার্থিব প্রেম ও মহাজাগতিক রহস্য একে অপরের সাথে মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে। কবিতার […]

স্মরণ কাব্যগ্রন্থের ‘বহুরে যা এক করে, বিচিত্রেরে করে যা সরস’ কবিতা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শোককাব্য ‘স্মরণ’-এর একটি অনন্য সংহতি-চেতনা, দাম্পত্য প্রেমের মাধুর্য ও জীবনোত্তর মিলনের চতুর্দশপদী (সনেটধর্মী) কবিতা হলো ‘বহুরে যা এক করে, বিচিত্রেরে করে যা সরস’। প্রাত্যহিক সংসারের বহুধা বিভক্ত রূপ, কর্মব্যস্ততার ক্লান্তি ও কোলাহলকে একটিমাত্র সুষম প্রেমসূত্রে বেঁধে যে নারী শান্তি ও ঐক্যের রচনা করতেন—মৃত্যুর ওপারে চলে যাওয়ার পরও কবি তাঁর আত্মিক সান্নিধ্য ও […]

এসো বসন্ত, এসো আজ তুমি eso bosonto eso aj tumi [ কবিতা ] – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

এসো বসন্ত, এসো আজ তুমি eso bosonto eso aj tumi [ কবিতা ] – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কাব্যগ্রন্থ : স্মরণ [ ১৯৬১] কবিতার শিরোনামঃ এসো বসন্ত, এসো আ-জ তুমি এসো বসন্ত, এসো আজ তুমি eso bosonto eso aj tumi [ কবিতা ] – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এসো, বসন্ত, এসো আ-জ তুমি আমারও দুয়ারে এসো। ফুল তোলা নাই, […]

স্মরণ কাব্যগ্রন্থের ‘পাগল বসন্তদিন কতবার অতিথির বেশে’ কবিতা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শোককাব্য ‘স্মরণ’-এর একটি অনুশোচনাময়, ঋতু-অনুষঙ্গী ও বেদনাবিধুর চতুর্দশপদী (সনেটধর্মী) কবিতা হলো ‘পাগল বসন্তদিন কতবার অতিথির বেশে’। কবিপত্নী মৃণালিনী দেবীর জীবিতাবস্থায় যখন যৌথ জীবনে বসন্তের আনন্দঘন মুহূর্তগুলো বারবার এসেছিল, তখন প্রাত্যহিক কাজের চাপে ও অবহেলায় কীভাবে তাঁরা সেই ঋতুরাজকে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন—আর আজ প্রিয়তমার বিয়োগে সেই বসন্তই স্মৃতিবেদনার দূত হয়ে শূন্য ঘরে হাহাকার জাগিয়ে […]

জনপ্রিয় খবর

সম্পাদকের পছন্দ

জনপ্রিয়

© ২০২৬ আমার রবীন্দ্রনাথ। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত